Breaking







Showing posts with label Indian National Movement. Show all posts
Showing posts with label Indian National Movement. Show all posts
January 22, 2022

List of Mountains and Hills in India Free PDF Download

 

List of Mountains and Hills in India Free PDF Download

This topic is very important for all competitive Exams. Candidates must go through it.


♦️Kanchenjunga is the third highest Mountain in the world.


First two highest mountains in the world

1. Mount Everest- 8,848 mts

2. K2 also known as Godwin Austin- 8,611 mts

3. Kanchenjunga- 8,586 mts


Guru Shikhar is located in near Mt. Abu in Rajasthan

Meaning of Aravallis- Line of peaks

Jindhagadha Peak is located in Andhra Pradesh. It has the height of 1,690 mts

PDF Name : List of Mountains and Hills in India Free PDF Download

Language : English

Size : 100kb

No. of Pages : 3

Download Link: Click Here To DOWNLOAD







♦️Enroll Now - Click Here








October 01, 2021

বিভিন্ন গভর্নর জেনারেল আমালে ঘটা উল্লেখযোগ্য ঘটনা গুলির Pdf Free Download

সুপ্রিয় বন্ধুরা
আজকে আমরা আপনাদের কাছে বিভিন্ন গভর্নর জেনারেল আমলে যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা গুলি হয়েছিল সেগুলো সমস্ত পিডিএফ আকারে আপনাদের কাছে রাখার চেষ্টা করেছি এর সাথে এই সমস্ত সময়কাল পিডিএফ এর মাধ্যমে আপনারা পাবেন।

এই চ্যাপ্টার থেকে প্রতিনিয়ত আমরা প্রতিযোগিতা পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে দেখি তাই আপনাদের সুবিধার্থে আমরা চেষ্টা করেছি সমস্ত ডিটেইলস একসাথে একটি পিডিএফ এর মাধ্যমে রাখার অবশ্যই পিডিএফটি আপনারা নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে নেবেন।
File Details

PDF Name : বিভিন্ন গভর্নর জেনারেল আমালে ঘটা উল্লেখযোগ্য ঘটনা গুলির Pdf Free Download
Size : 200kb
No. of Pages : 3
Download Link - Click Here

🎯 History Handwritten Notes - Click Here
July 05, 2021

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম ১৯৩০ থেকে ১৯৪১ পর্যন্ত বিস্তারিত আলোচনা পর্ব ১।Details of India's Independence Struggle from 1930 to 1941 Part-1

 



✍️ আইন অমান্য আন্দোলন (1930):

• এইসব দাবীর ক্ষেত্রে সরকারের কাছে কোন অনুকুল প্রতিক্রিয়া না পেয়ে কংগ্রেস কার্যনির্বাহক কমিটি গান্ধীজীকে সম্পূর্ণ ক্ষমতার সাথে আইন অমান্য আন্দোলন করতে বললেন।

• আইন অমান্য আন্দোলন শুরু করার আগে লাহাের কংগ্রেসে দেওয়া আদেশকে অগ্রগামী করতে গান্ধী সরকারের কাছে এগারাে দফা দাবী সরকারের কাছে পেশ করেন এবং 1930 সালের 30শে জানুয়ারী পর্যন্ত সময় দেন। এই দাবিগুলি গ্রহণ অথবা বর্জন করতে।

• সৈন্য ও সিভিল সার্ভিস-এর ব্যয় পঞ্চাশ শতাংশ হ্রাস করা।

• সম্পূর্ণ নিষিদ্ধকরণ।

• অপরাধী অনুসন্ধান দপ্তরের সংস্কার আনা।

• অস্ত্র আইন পরিবর্তন আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অনুসারি

দানের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ।

• রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি

• ডাকবিভাগে সংরক্ষণ বিলের গ্রহণ

•রুপি পাউন্ডের পরিবর্তনের অনুপাত হ্রাস।

• কার্পাস বস্ত্রের রক্ষা।

• উপকূলে জাহাজে আমদানি-রপ্তানির ক্ষেত্রে ভারতীয়দের সংরক্ষণ।

• ভূমি কর পঞ্চাশ শতাংশ হ্রাস করা।

• লবণ কর এবং সরকারের একচেটিয়া লবণ বাজারের বিলােপ।


 ✍️ ডান্ডি মার্চ (12-6ই মার্চ এপ্রিল, 1930):

• গান্ধীজী আমেদাবাদের সবরমতী আশ্রম থেকে 78 সদস্যবিশিষ্ট একটি দলের সাথে গুজরাটের গ্রামে মধ্যদিয়ে 240 মাইল পথে যাত্রা করে। এই ঐতিহাসিক পদযাত্রা। আইন অমান্য আন্দোলনের সূচনা করে যা শুরু হয় 12ই মার্চ এবং গান্ধীজী ই এপ্রিল ডান্ডিতে একমুঠো লবণ হাতে তুলে নিয়ে লবণ আইন ভঙ্গ করলেন। গান্ধীজী ভবিষ্যতের কর্মের জন্য নিম্নলিখিত নির্দেশগুলি দিলেন।

• যেখানেই সম্ভব, লবণ আইন-এর অমান্য শুরু করতে হবে

• বিদেশী মদ, বস্ত্র, দোকান প্রভৃতিতে বাধা দান। • কর দিতে অস্বীকা

• আইনজীবীরা ওকালতি ত্যাগ কর

•জনগণ কোর্টকে বয়কট করতে পারে মকদ্দমা থেকে বিরত থেকে

• সরকারী কর্মীরা তাদের পদ থেকে ইস্তফা দিতে পারে। • এই সমস্ত কিছু একটি শর্তেই হবে—সত্য ও অহিংসা স্বরাজ অর্জনের উপায় এবং বিশ্বস্তভা

• গান্ধীজীর গ্রেপ্তারের পর স্থানীয় নেতাদের মান্য করা হবে

• লবণ সত্যাগ্রহ আন্দোলন তামিলনাড়ুতে সি. রাজা গােপালাচারীর এবং মাল্যবারে আইকস সত্যাগ্রহের নায়াব কে. কালাপানির দ্বারা হ

• উত্তর-পশ্চিমে খান-আব্দুল গফফর খানের (ফ্রন্টিয়ের গান্ধী) অধীনে পাঠান বাহিনী খােদাই খিদমদগরের (লাল কোর্তা বাহিনী) গঠন করে


আইন অমান্য আন্দোলপ্রসার:

      নেহেরু ও গান্ধীজীকে নিয়ে প্রচুর জাতীয়তাবাদী নেতা গ্রেপ্তার হন। তাদেরকে ইয়েরাভাদা জেলে বন্দী করেন। এর ফলে সারা ভারতে ব্যাপক বিদ্রোহের আগুন জ্বলে ওঠে।

√আন্দোলনের প্রভাব:

• বিদেশী পােশাক ও অন্যান্য দ্রব্যের আমদানির পত্তন ঘটল।

• মদ কর, ভূমি কর থেকে সরকারের আয় কমল। • আইনসভায় নির্বাচন বিরাট অংশে বয়কট করা হল। • সমাজের প্রতিটি অংশ, ছাত্র, মহিলা, উপজাতি, ব্যবসায়ী, শ্রমিক, কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, তার সাথে রাজনৈতিক কর্মী সকলেই আইন অমান্য আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণকরেছিল।

• মুসলিমরাও এর মধ্যে অংশগ্রহণ করেছিল কিন্তু তাদের যােগদান 1920-21-এর মত ছিল না কারণ মুসলিম নেতারা আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আবেদন করেছিলেন এবং সরকারী অস্ত্র দায়িত্ব বিভাজনে উৎসাহ দিয়েছিলেন।


✍️ প্রথম গােল টেবিল বৈঠক (12ই নভেম্বর, 1930):

•এটি ব্রিটিশ ও ভারতীয়দের মধ্যে প্রথম সমানে সমানেএকটি সম্মেলন।

• কংগ্রেস এবং বেশীরভাগ ব্যবসায়িক নেতা যেখানে প্রথম গােল টেবিল বৈঠক বয়কট করে। মুসলিম লীগ, হিন্দু মহাসভা, উদারপন্থীরা এবং রাজারা এখানে উপস্থিত হয়েছিল।


✍️ গান্ধী-আরউইন চুক্তি (5ই মার্চ, 1931)

      1931-এর 25শে জানুয়ারী গান্ধীজী ও কংগ্রেস কার্যনির্বাহক কমিটির অন্যান্য সদস্যদের নিঃশর্তে ছেড়ে দেওয়া হয়। কংগ্রেস কার্যনির্বাহক কমিটি গান্ধীজীকে দয়িত্ব অর্পণ| করবেন ভাইসরয়দের সাথে আলােচনা শুরু করার জন্য, যা পরবর্তীকালে গান্ধী আরউইন চুক্তি বা দিল্লী চুক্তি রূপে পরিচালিত হল। আরউইন সরকারের তরফ থেকে রাজী হলেন

• রাজনৈতিক বন্দী যারা হিংসাত্মক কার্যকলাপের সাথে। যুক্ত নয় তাদের। ৎক্ষণাৎ মুক্তি।

• জরিমানা যেগুলি এখনাে সংগৃহীত হয়নি সেগুলি থেকে নিষ্কৃতি।

• যেসমস্ত জমি তৃতীয় কোন ব্যক্তিকে বিক্রিত হয়নি সেগুলি ফিরিয়ে দেওয়া।

• যেসমস্ত সরকারী কর্মী ইস্তফা দিয়েছে তাদের প্রতি সদয় ব্যবহার।

• উপকূলবর্তী শহরগুলির তাদের ব্যক্তিগত প্রয়ােজনে লবণ তৈরীর অধিকার (বিক্রির জন্য নয়)।

• শান্তিপূর্ণ এবং আক্রমণবিহীন বাধা দান বিভিন্ন কাজে। 

• জরুরি অধ্যাদেশগুলি প্রত্যাহার।

ভাইসরয় যাইহােক গান্ধীজীর দুটি প্রস্তাব বাতিল করলেন 

• জনগণের পুলিশের কাজে জিজ্ঞাসাবাদ।

• ভগৎ সিং ও তার সঙ্গীদের ফাঁসির সাজা কমিয়ে যাবজীবন। সাজা দেওয়া।

* গান্ধীজী কংগ্রেসের হয়ে রাজী হলেন

• আইন অমান্য আন্দোলনের প্রত্যাহার।

• পরের গােল টেবিল বৈঠকে যােগদান। 

• মুসলিম লিগকে প্রদর্শিত করলেন মহম্মদ আলি আগা খান, ফজলুল হক, এম.এ. জিন্না এবং হিন্দু মহাসভাকে মুঞ্জি এবং জয়াকার দিয়ে।

• তেগ বাহাদুর সাঞ, চিন্তামণি ও শ্রীনিবাস শাস্ত্রী (উদারপন্থী) যােগদান করেন।

• মহারাজা হায়দ্রাবাদ ও মহীশূরের উপস্থিত ছিলেন, সম্মেলন-এর ফল কিছু হল না।

•আম্বেদকর তপশিলী জাতি ও উপজাতির জন্য পৃথক নির্বাচনের দাবী করেন।

• সরকার আর কংগ্রেসের সাথে সন্ধিতে আসার মধ্যস্থ করে যাতে তারা গােল টেবিল বৈঠকে যােগদান করে।

•বামপন্থী বক্তা জয়কার, সা ও শ্রীনিবাস শাস্ত্রী চেষ্টা শুরু করলেন গান্ধী ও সরকারের মধ্যে বিবাদ মেটানাের। গান্ধী ও আরউইন এর মধ্যে ১ই মার্চ, 1931-এর দুই চুক্তি ‘গান্ধী আরউইন চুক্তি’ বা ‘ দিল্লী চুক্তি’-রূপে পরিচিত।


✍️ করাচী অধিবেশন (1931)

• 1931 সালের মার্চ মাসে করাচীতে বিশেষ অধিবেশন হয় গান্ধী আরউইন অথবা দিল্লী চুক্তিতে সই করার জন্য।

• দুটি সংকল্প যা এই অধিবেশনকে স্মরণীয় করেছিল, গ্রহণ করা হয়েছিল। 

• একটি মৌলিক অধিকারের উপরে এবং

 • অন্যটি হল জাতীয় অর্থনৈতিক অনুক্রম।

• এই প্রথম কংগ্রেস বৃহৎ জনগােষ্ঠীর কাছে স্বরাজের অর্থ উত্থাপন করলেন।

• করাচী প্রস্তাব কংগ্রেসের কাছে পরবর্তী বছরের জন্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভিত্তির মঞ্চ তৈরী করেছেন। 

• এই অধিবেশনের ছয় দিন আগে ভগৎ সিং, সুখদেব, রাজগুরুকে প্রাণদণ্ড দেওয়া হয় (23শে মার্চ, 1931)।


✍️ দ্বিতীয় গােল টেবিল বৈঠক (1931)

• দ্বিতীয় গােল টেবিল বৈঠক সেখানে 1931 সালের দিল্লীতে দিল্লী চুক্তির অনুযায়ী কংগ্রেস রাজী হয়েছিল উপস্থিত হতে।

•মহাত্মা গান্ধী বৈঠকে যােগদান করে হতাশ হয়ে ভারতে ফিরে আসেন।

• পূর্ণ স্বরাজের দাবী এবং সাম্প্রদায়িকতার প্রশ্নে কোন সহমত-এ পৌঁছানাে গেল না।

• কংগ্রেস 1933 সালে সরকারীভাবে আন্দোলনটি করে নেয় এবং 1934 সালে প্রত্যাহার করে। গান্ধীজী নীতি থেকে ইস্তফা দেয়।


✓ ফলাফল 

• 1932 সালে আইন অমান্য আন্দোলন পুনরায় শুরু হয়। • সরকার মহাত্মা গান্ধী এবং সর্দার প্যাটেলকে গ্রেপ্তারকরে।

• কংগ্রেস পার্টির ওপর পুনরায় নিষেধ আরােপিত হয়।


✍️ সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা:

• ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী র্যামসে ম্যাকডােনাল্ড 1932-এর আগস্ট মাসে সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা নীতি ঘােষণা করেন।

• এটা ব্রিটিশ-এর বিভাগ ও শাসনের নীতি আরেক বহিঃপ্রকাশ।

•মুসলিম, শিখ, খ্রীষ্টানদের সংখ্যালঘু হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

• সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা নীতি ঘােষণা করল অনুন্নত শ্রেণী,সংখ্যালঘু হবে এবং তাদের পৃথক নির্বাচনের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

• সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা নীতির প্রতি গান্ধীজীর প্রতিক্রিয়া

• অনুন্নত শ্রেণীকে বাকী হিন্দুদের থেকে আলাদা করে তাদের জন্য পৃথক নির্বাচনের স্বীকৃতির সমস্ত জাতীয়তাবাদীদের দ্বারা তীব্রভাবে বিরােধিতা করা হয়।

• গান্ধীজী দেখলেন সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা নীতি ভারতীয়, ঐক্য ও জাতীয়তাবাদকে আক্রমণ।

• আবার অনুন্নত শ্রেণীকে পৃথক রাজনৈতিক গােষ্ঠী হিসাবে চিহ্নিত করা হলে তিনি যুক্তি দেখালেন অস্পৃশ্যতা দূরীকরণ-এর প্রশ্নে গােড়ায় ক্ষয় হবে।

• পৃথক নির্বাচন অস্পৃশ্যদের চিরতরে অস্পৃশ্য রেখে দেবে, তিনি বললেন।

• গান্ধীজী দাবী করলেন যে অনুন্নত শ্রেণীতে যৌথ এবং যদি সম্ভব হয় সার্বজনীন ভােটাধিকার বিস্তৃত ও নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে। যেখানে বৃহৎ সংখ্যার সংরক্ষিত আসনে এর দাবীর কোন রকম বিরােধিতা করলেন না। এই দাবীকে পূর্ণ করতে তিনি পুনরায় ইবাবাবা জেলে আমৃত্যু অনশন শুরু করলেন।


✍️ পুণা চুক্তি (1932):

• অবশেষে গান্ধীজী এবং ডঃ আম্বেদকর একটি সহমতে পৌঁছলেন, যাকে পুণা চুক্তি বলা হয়।

• এই অনুযায়ী অনুন্নত শ্রেণীর জন্য আসন সংরক্ষণ প্রাদেশিক আইনসভায় 71 বাড়িয়ে 147 করা হল এবং কেন্দ্রীয় আইনসভায় করা হল সম্পূর্ণ আসনের আঠারাে শতাংশ। \

• পুণা চুক্তিকে সরকার সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা নীতির এক সংশােধনী হিসাবে গ্রহণ করলেন।


✍️ তৃতীয় গােল টেবিল বৈঠক(17ই নভেম্বর - 24শে ডিসেম্বর, 1932) )

• 1932 সালে লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়।

• কংগ্রেস এখানে যােগদান করেনি।

• 1933 সালে ব্রিটিশ সরকার একটি সরকারী ইস্তাহার প্রকাশ করে, যেটা বর্তীকালে ভারত শাসন আইন 1935 সালের ভিত্তি রচনা করা করেন।

• অবশেষে গান্ধীজী 1934 সালের এপ্রিল মাসে আইন অমান্য আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়।

•তেজ বাহাদুর সাঞ্জ তিনটি গােল টেবিল বৈঠকে যােগদান করে।


✍️ ভারত শাসন আইন, 1935

• ভারত শাসন আইন 1935 পাশ হওয়ার ভিত্তি ছিল।

• সাইমন কমিশনের রিপাের্ট।

• দ্বিতীয় গােল টেবিল বৈঠকের ফল।

• ব্রিটিশ সরকারের 1933 খ্রীষ্টাব্দে প্রকাশিত সরকারী ইস্তাহার।

• আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হল

• কেন্দ্রে সর্বভারতীয় ফেডেরেশনের প্রতিষ্ঠা ব্রিটিশ ভারত এক দেশীয় রাজ্যগুলিকে নিয়ে।

• দেশীয় রাজ্যগুলি যুক্তরাষ্ট্রে যােগদান করতে অস্বীকার করলে এটা ফলপ্রসূ হবে না।

• ক্ষমতা বিভাজন তিনটে শ্রেণীতে হবে—কেন্দ্রীয়, প্রাদেশিক, যৌথ।

• কেন্দ্রে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।

• গভর্ণর জেনারেল ও তার মন্ত্রী পরিষদের হাতে সংরক্ষিত বিষয়গুলি থাকবে।

• মন্ত্রীসভার হাতে হস্তান্তরিত বিষয়গুলির দায়িত্ব থাকবে।

• প্রদেশে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা তুলে দিয়ে তার পরিবর্তে স্বায়ত্তশাসন প্রবর্তন।

• প্রাদেশিক শাসনবিভাগ-এর প্রধান হবেন গভর্ণর এবং তিনি ইচ্ছা করলে (বাধ্য নন) তার মন্ত্রীসভার পরামর্শ নিয়ে শাসন চালাতে পারেন।

• বাংলা, মাদ্রাজ, বােম্বে, যুক্তপ্রদেশ, বিহার, আসাম, এবং প্রাদেশিক আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট করা হয়।

 • পৃথক নির্বাচনের নীতি শিখ, ইউরােপিয়ান ভারতীয়।খ্রীষ্টান, অ্যাংলাে ইন্ডিয়ান-এর প্রতি বর্ধিত করা হয়।

• দিল্লীতে প্রধান বিচারপতি এবং ছয়জন বিচারক সমন্বিত একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত তৈরী করা হয়।


✍️দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ

• 1937-এ ভারত শাসন আইন, 1935-এর বিধান অনুযায়ী নির্বাচন করা হয়।

• কংগ্রেসের মন্ত্রীদের ভারতের সাতটি প্রদেশে জয় লাভ করে।

• 1939-এর লা সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।

• ব্রিটিশ সরকার ভারতের জনগণের সাথে কোনরূপআলােচনা না করেই তাদের যুদ্ধে যুক্ত করেন।

 • কংগ্রেস এর তীব্র বিরােধিতা করে।

• বিরােধিতার স্বরূপ কংগ্রেসের মন্ত্রীরা 12ই ডিসেম্বর, 1939-এ সাতটি প্রদেশ-এর সবকটি থেকেই ইস্তফা দেয়।

• মুসলিম লীগ 22শে ডিসেম্বর, 1939-তে মুক্তি দিবস হিসাবে পালন করে।

• 23শে মার্চ, 1940 মুসলিম লীগ পাকিস্তান তৈরীর দাবি করে (পাকিস্তান দিবস)

• যে পূর্বশর্তগুলি কংগ্রেসের দ্বারা স্থিরীকৃত হয়েছিল সেই সময়ে তা মেনে নিতে অস্বীকার করেন (গণপরিষদ গঠন কেন্দ্রে দায়িত্ববান সরকার গঠনের জন্য)। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার যারপর নাই ভাবে ভারতীয়দের সক্রিয় সহযােগিতা চেয়েছিলেন যুদ্ধে। এই সহযােগিতা সুনিশ্চিত করতেই 1942-এর মার্চ মাসে ক্যাবিনেট মন্ত্রী স্যার স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস-এর পরিচালিত একটি মিশন একটি ভারতে পাঠানাে হয়। আগস্ট প্রস্তাব এর আগে।


পাকিস্তানের দাবী (23শে মার্চ, 1940)

 • 1930 খ্রীষ্টাব্দে মহম্মদ ইকবাল প্রথমবারের জন্য সীমান্ত প্রদেশ, সিন্ধ, বেলুচিস্তান এবং কাশ্মীর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি মুসলিম প্রদেশ তৈরীর প্রস্তাব দেন। চৌধুরী রহমত আলি ‘পাকস্তান’ নামে নূতন শব্দ উদ্ভাবন করলেন (1933)।

• হিন্দুদের বশে মুসলিমদের স্বাধীন ভারতে থাকার একটি ভয় জিন্নান উপলব্ধি করলেন এবং তিনি পাকিস্তান সৃষ্টির দাবী করলেন।

• Pakistan Resolution (প্রস্তাব) মুসলিম লীগ প্রথম পাকিস্তান নামক পৃথক দেশের প্রস্তাব পাশ করলেন 1940-এর লাহাের অধিবেশন থেকে (জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্বও বলা হয়)। এটার খসড়া তৈরী করেছিলেন সিকন্দর হায়াত খান। ফজলুল হক উত্থাপন করেছিলেন এবং সমর্থন করেছিলেন কালিকুজামান। এটা ভারত শাসন আইন 1943-এর ডিসেম্বর মাসে করাচী অধিবেশন মুসলিম লীগ ‘বিভাজন এবং পরিত্যাগ’ (Divide and Quit)-এর শ্লোগান গ্রহণ করে।


✍️ আগস্ট ঘােষণা (1940)

       দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের সহযােগিতা সুনিশ্চিত করার জন্য 1940-এর ৪ই আগস্ট একটি ঘােষণা করেন। যা আগস্ট ঘােষণা নামে পরিচিত। ভাইসরয় লিনলিথগাে যে প্রস্তাব দেন তাতে ছিল

• ডােমিনিয়ান স্ট্যাটাস ভারতীয়দের লক্ষ্য।

• বড়লাটের কার্যনির্বাহক সমিতির বৃদ্ধি এবং যুদ্ধের শেষে একটি গণপরিষদ গঠন করা হবে ভারতীয়দের নিয়ে তাদের সংবিধান সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ধারণা অনুযায়ী স্থির করার জন্য।

• সরকার কৃতজ্ঞতার ঋণ হিসাবে প্রতিরক্ষা, সংখ্যালঘু ক্ষমতা, প্রদেশের সাথে চুক্তি, সর্বভারতীয় পরিষেবা সমস্ত পূর্ণ করবে।

• সংখ্যালঘুদের অনুমতি ছাড়া ভবিষ্যতে কোন সংবিধান মেনে নেওয়া হবে।

• আগস্ট ঘােষণায় ভারতীয়দের প্রতিক্রিয়া

• কংগ্রেস আগস্ট ঘােষণা বাতিল করল।

• ভারতবাসীর কাছে “ডােমিনিয়ান স্ট্যাটাস দরজার পেরেকের মত মৃত বস্তু” নেহেরু বললেন।


✍️ ব্যক্তিগত সত্যগ্রহ (অক্টোবর1940 ডিসেম্বর 1941)

• গান্ধীজী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভারতীয়দের নিযুক্তির বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত সত্যাগ্রহ শুরু করলেন।

• এটা সীমাবদ্ধ, প্রতীকী এবং অহিংস প্রকৃতির ছিল। • মহাত্মা গান্ধী সত্যাগ্রহীদের বেছে নিয়েছিলেন।

• ব্যক্তিগত সত্যাগ্রহ শুরু করার উদ্দেশ্যগুলি ছিল

• জাতীয়তাবাদীদের ধৈর্য দুর্বলতার জন্য নয় এটা দেখানাে।

• মানুষের ভাবনার প্রকাশ যে তারা যুদ্ধে কোনরূপে আগ্রহী নয়, ভারতে চলতে থাকা স্বৈরতন্ত্র এবং নাৎসীবাদ এর মধ্যে তারা কোন পার্থক্য করতে পারে না।

• কংগ্রেসের দাবীগুলিকে শান্তিপূর্ণ ভাবে মেনে নেওয়ার আরাে একটি সুযােগ দান।

• সত্যাগ্রহীদের দাবী হবে বাক স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরুদ্ধে একটি যুদ্ধ বিরােধী ঘােষণার মাধ্যমে।

• ত্যাগ্রহে দিল্লীর উদ্দেশ্যে যাত্রার কথাও বলা হয় যা ‘দিল্লী চলাে আন্দোলন’ নামে পরিচিত।


গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

• আচার্য বিনােবা ভাবে প্রথম সত্যাগ্রহ শুরু করেছিলেন তাকে তিন মাসের কারাবাস দেওয়া হয়েছিল।

• জহরলাল নেহেরু দ্বিতীয় সত্যাগ্রহী যিনি চার মাসের জন্য বন্দী ছিলেন।

• ব্যক্তিগত সত্যাগ্রহ প্রায় পনেরাে মাস চলেছিল।



June 01, 2021

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে ১৯৪১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত বিস্তারিত আলোচনা।Detailed discussion of India's independence struggle from 1941 to 1947.

 


প্রিয় বন্ধুরা

আধুনিক ভারতের ইতিহাসে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ চ্যাপ্টার আজকে আলোচনা করতে চলেছে যেখানে আপনারা সম্পূর্ণ ডিটেইলস বিবর্তনের সঙ্গে প্রত্যেকটা গান পাবেন । প্রতিযোগিতা পরীক্ষায় আপনারা যে সমস্ত প্রশ্ন দেখে থাকেন এই চারটা কমপ্লিট করার পরে আশা করছি আর কোনো অসুবিধা হবে না।


✍️ ক্রিপস মিশন (মার্চ-এপ্রিল1941)

• 1942 এর মার্চ মাসে স্ট্যাফোর্ড ক্রিপস-এর নেতৃত্বে একটি মিশন সংবিধানের প্রস্তাব নিয়ে ভারতে পাঠানাে হয়েছিল যুদ্ধে ভারতীয়দের সমর্থনের প্রয়ােজনে।

• প্রধান প্রস্তাব

• এক ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র ‘ডােমিনিয়ান স্ট্যাটাস এর সাথে গঠন করা হবে।

• এটা কমনওয়েলথ-এর সাথে যুক্ত ভাবে তার সম্পর্ক স্থির করতে পারবে এবং জাতিসংঘ এবং অন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে স্বাধীনভাবে অংশগ্রহণ করতে পারবে।

• যুদ্ধান্তে নতুন সংবিধান তৈরীর জন্য একটি গণপরিষদ গঠন করা হবে।

• এই পরিষদের সদস্য কিছু নির্বাচিত হবেন প্রাদেশিক পরিষদ থেকে সমানুপাতি প্রতিনিধিত্বের দ্বারা এবং আংশিক দেশীয় রাজাদের দ্বারা মনােনীত হবেন।

• ব্রিটিশ সরকার এই নতুন সংবিধান গ্রহণ করবে দুটি শর্তে----

      ০ কোন প্রদেশ যুক্তরাষ্ট্রে যােগদান করতে ইচ্ছুক না হল তারা পৃথক সংবিধান এবং ইউনিয়ন তৈরী করবে।

      ০ নতুন সংবিধান তৈরীর এবং ব্রিটিশ সরকার একটি চুক্তি সাক্ষর করবে ক্ষমতার হস্তান্তর করতে এবং জাতি ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের রক্ষার্থে।

• এর মধ্যে ভারতের প্রতিরক্ষা থাকবে ব্রিটিশদের হাতে এবং গভর্নর জেনারেল এর ক্ষমতা একই থাকবে।

• গান্ধীজী এই প্রস্তাবকে ‘ফেল পড়া ব্যাঙ্কের ওপর চেক কাটার সামিল’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। 

• কংগ্রেস বিরােধিতা করেছিল।

• পূর্ণ স্বরাজের পরিবর্তে ডােমিনিয়ান স্ট্যাটাস-এর মর্যাদা।

• নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বদলে মনােনীত সদস্যদের প্রতিনিধিত্ব।

• প্রদেশগুলি চাইলে বিচ্ছিন্ন হতে পারবে যেটা জাতীয় ঐক্যের বিরুদ্ধে ছিল।

• তৎক্ষণাৎ ক্ষমতা হস্তান্তরের কোন পরিকল্পনা এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় অংশিদারিত্ব দুইয়েরই অনুপস্থিতি।

• গভর্নর জেনারেল-এর আধিপত্য থেকে গেল এবং গভর্নর জেনারেলকে সাংবিধানিক প্রধান করার দাবি গ্রহণ করা হল।

• মুসলিম লীগের বিরােধিতা

• একক ভারত রাষ্ট্রের ধারণাকে সমালােচনা করেছিল।

• সংবিধান সভা সৃষ্টির প্রস্তাবকেও পছন্দ করেনি এবং প্রদেশগুলির ইউনিয়নে যােগ দেওয়ার ব্যাপারে স্থির করার প্রতিক্রিয়াকেও গ্রহণ করেনি।

• প্রস্তাবগুলি মুসলিম নিজ-সংকল্পের অধিকার এবং পাকিস্তান সৃষ্টি থেকে বঞ্চিত করেছিল।


✍️ ভারত ছাড়াে আন্দোলন,1942

• গান্ধীজী ক্রিপসের প্রস্তাবকে ‘ফেল করা ব্যাঙ্কের ওপর চেক কাটার সামিল’ বলেন। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের বােম্বাই অধিবেশনে নীচের মুখ্য বিষয়গুলির ওপর

• ভারতে ব্রিটিশ শাসনের তৎক্ষণাৎ সমাপ্তি।

• স্বাধীন ভারতের দাবী যে নিজেকে সমস্ত রকমের ফ্যাসিবাদ এবং সাম্রাজ্যবাদ থেকে রক্ষা করবে।

• ব্রিটিশ প্রত্যাহারের পর এক অস্থায়ী ভারত সরকার।

• ব্রিটিশ শাসনের পরিবর্তে আইন অমান্য আন্দোলন।

• সরকার যাইহােক কংগ্রেসের সাথে কোন প্রকার সন্ধি করার মানসিকতা ছিল না অথবা আন্দোলন শুরু হবে তার অপেক্ষা করারও মানসিকতা ছিল তাই এক কোপেই সমস্ত কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তার করা হল এবং তাদের অজ্ঞাত গন্তব্যে পাঠিয়ে দেওয়া হল।

• ভারত ছাড়াে আন্দোলন দেশের স্বাধীনতা অন্তিম প্রচেষ্টা ছিল কারণ

• একটি বৃহৎ সংখ্যক বিদ্যালয়ের ও মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করল আন্দোলনে যােগ দেওয়ার জন্য।

• জাতির যুবকেরা দেশ প্রেমিক এবং সাথে আন্দোলনে যােগদান করল ধর্মঘট, জন সাধারনের মিটিং, সরকারী গৃহ আক্রমণ, বিক্ষোভ প্রদর্শন ইত্যাদি করে।

• ব্রিটিশ সরকার 538 রাউন্ড গুলি চালানাের নির্দেশ দেয়। অবশেষে 7000 লােকের মৃত্যু হয়। প্রায় 60,229 লােকেদের কারারুদ্ধ করা হয়।

• এটা ভারতের স্বাধীনতার পথ রচনা করেছিল এবং ভারতীয়দের মধ্যে সাহসিকতা, উৎসাহ, এবং সম্পূর্ণ আত্মত্যাগের অনুভূতি জাগিয়ে তুলেছিল।

• আন্দোলনের সময় কোন সাম্প্রদায়িক সংঘাত ছিল না।

 • আন্দোলন এই সত্যটি প্রতিষ্ঠা করেছিল যে ভারতকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আর শাসন করা যাবে না।


গান্ধীজীর অনশন :

• 12ই ফ্রেব্রুয়ারী–4ই মার্চ, 1943। 

• গান্ধীজী 21 দিনের অনশন শুরু করলেন ভারত ছাড়াে আন্দোলন চলাকালীন মানুষের হিংসার নিন্দা করে।


রাজাগােপালাচারী ফর্মুলা (1944)

• সি. রাজাগােপালাচারী, প্রবীণ নেতা কংগ্রেস-লীগ সহযােগিতার জন্য একটি ফর্মুলা প্রস্তুত করেছিলেন। গান্ধী এই ফর্মুলা গ্রহণ করলেন।

• এখানে লীগের পাকিস্তানের দাবীকে উহ্যভাবে গ্রহণ করেছিল।

• বীর সাভারকরের দ্বারা পরিচালিত হিন্দু নেতারা সি. আর পরিকল্পনা নিন্দা করেছিল।

• সি. আর পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলি হল

• মুসলিম লীগ কংগ্রেসের স্বাধীনতার দাবিকে অনুমােদন করবে।

• লীগ কংগ্রেসকে সহযােগিতা করবে কেন্দ্রে এবং সাময়িক সরকার গঠনের জন্য।

• যুদ্ধের পর সমগ্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্ব ভারতের এলাকাগুলির সমগ্র জনগণ হয় গণভােটের দ্বারা পৃথক সার্বভৌম রাষ্ট্র তৈরী করবে অথবা নয়।

• বিভাজনের গ্রহণের ক্ষেত্রে চুক্তি যৌথভাবে করা হবে প্রতিরক্ষা, ব্যবসা, যােগাযােগ ইত্যাদি ক্ষেত্রে। 

• উপরের কথাগুলি কার্যকরী হবে কেবলমাত্র যদি ইংল্যান্ড সমস্ত ক্ষমতা ভারতকে হস্তান্তর করে দেয়।


জিন্নাহর আপত্তি

• জিন্নাহ চেয়েছিলেন কংগ্রেস দ্বিজাতি তত্ত্ব গ্রহণ করুক। 

• তিনি চেয়েছিলেন উত্তর-পশ্চিম ও উত্তর-পূর্বে কেবলমাত্র মুসলিমরাই ভােট দিক। সমগ্র জনতার নয়।

• তিনি সাধারণ কেন্দ্র-এর ধারণারও বিরােধিতা করেছিলেন।

        এইভাবে, যখন কংগ্রেস লীগের সাথে সহযােগিতা করতে প্রস্তুত ছিল ভারতীয় ইউনিয়নের স্বাধীনতার জন্য, লীগ ইউনিয়নের স্বাধীনতা নিয়ে চিন্তাই করেনি। শুধুমাত্র পৃথক রাষ্ট্র গঠনেই আগ্রহ ছিল।


✍️ দেশাই লিয়াকৎ চুক্তি (1944)

• কংগ্রেসের নেতা ভুলাভাই দেশাই এবং মুসলিম লীগের নেতা লিয়াকৎ আলি খান। প্রস্তাবের খসড়া তৈরী করলেন কেন্দ্রে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের জন্য গতি ছিল।

• কংগ্রেস ও লীগ থেকে সমসংখ্যক মনােনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় আইন সভায়।

• সংখ্যালঘুদের জন্য 20 শতাংশ আসন সংরক্ষিত।

• এই সমস্ত ক্ষেত্রে কংগ্রেস ও লীগের মধ্যে কোন মীমাংসা হবে না।

• কিন্তু কংগ্রেস ও লীগ-এর মধ্যে এক ধরনের মিল স্থির হল পরবর্তীকালের ..ফলের ভিত্তিতে।


✍️ সিমলা বৈঠক অথবা ওয়াভেল পরিকল্পনা (14ই জুন-14ই জুলাই, 1945)

• ভাইসরয় লর্ড ওয়াবেল, 1945 সালের জুন মাসে লর্ড ওয়াভেল একটি বৈঠক আহ্বান করেছিলেন।

• গভর্নর জেনারেল এর কার্যনির্বাহক পরিষদ পুনর্গঠনের লক্ষ্য নতুন সংবিধান তৈরী স্থগিত রেখে।

০ প্রধান প্রস্তাব

• গভর্নর জেনারেল এবং কমান্ডার-ইন চিফ ব্যতিক্রম, কার্য নির্বাহক পর্ষদের সমস্ত সদস্যরা ভারতীয় হবে।

• পুনগঠিত পর্ষদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হিসাবে 1945 এর আইন কাঠামাে অনুযায়ী কাজ করবে (কেন্দ্রীয় সভার কাজে অনুগত নয়)।

• হিন্দু ও মুসলমান-এর সমান প্রতিনিধিত্ব থাকবে।

• গভর্নর জেনারেল তার মন্ত্রীদের উপদেশ অনুযায়ী ভেটো ব্যবহার করতে হবে।

• বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা কার্যনির্বাহক পর্যদে ভাইসরয়ের কাছে মনােনয়নের জন্য তালিকা পেশ করবে।

• যদি দেখি তালিকা সম্ভব না হয়, তখন পৃথক তালিকা জমা দিতে হবে।

• নতুন সংবিধান তৈরীর সম্ভাবনা উন্মুক্ত রাখতে হবে যুদ্ধ অবশেষে জিতে যাওয়ার পর।


✍️ ভারতীয় জাতীয় বাহিনী(INA)

• ভারতীয় জাতীয় বাহিনীর ধারণা প্রথম কল্পনা করেছিলেন ব্রিটিশ ভারতীয় বাহিনীর একজন ভারতীয় অফিসার মােহন সিং-এর দ্বারা মালয়ে। যখন তিনি পিছিয়ে যাওয়া ব্রিটিশ সৈন্যে যােগ না দেওয়ার স্থির করলেন এবং জাপনীসদের পরিবর্তে সাহায্য চাইলেন।

• জাপানীরা মােহন সিং-এর হাতে যুদ্ধে বন্দী ভারতীয়দের তুলে দিলেন। যিনি তাদের ভারতীয় জাতীয় বাহিনীতে যুক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন।

• 1942 সালে সিঙ্গাপুরের পতনের পর। মােহন সিং আরাে 45000 যুদ্ধে বন্দী ভারতীয়দের পেলেন তার অনুপ্রেরণার ক্ষেত্রের মধ্যে।

• 1943 সালের ২রা জুলাই সুভাষ চন্দ্র বােস সিঙ্গাপুর পৌঁছলেন এবং যুদ্ধ ধ্বনি উত্থাপন করলেন ‘দিল্লী চলাে’।

• তাকে ‘ইন্ডিয়ান ইনডিপেনডেন্স লীগ’-এর সভাপতি নির্বাচিত হলেন এবং ভারতীয় জাতীয় বাহিনীর সর্বোচ্চ কমান্ডার হলেন শীঘ্রই।

• তিনি বিখ্যাত শ্লোগান দিলেন ‘জয় হিন্দ।

• আই, এন. এ. তিনটি ব্রিগ্রেডের নাম দেওয়া হল—সুভাষ বিগ্রেড, গান্ধী বিগ্রেড এবং নেহেরু বিগ্রেড।

• মহিলাদের সেনাদলের নাম দেওয়া হয়েছিল রানী লক্ষীবাঈ-এর নাম অনুসারে। লক্ষ্মী সাইগল নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

• ভারতীয় জাতীয় বাহিনী কোহিমাতে জয় সুনিশ্চিত করে ইম্ফলের দিকে যাত্রা করল কিন্তু 1945 সালে জাপানের হারের পর ভারতীয় জাতীয় বাহিনীর সমস্ত প্রচেষ্টা ব্যর্থ

• এই অবস্থার মধ্যে সুভাষচন্দ্র বােস তাইওয়ান গেলেন তার টোকিয়ে যাওয়ার পথে অনুমান করা হয় 1945-এর 18ই আগস্ট প্লেন দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।

•দিল্লীর রেড ফোর্টে ভারতীয় জাতীয় বাহিনীর বিচার হয়।

• পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু, ভুলাভাই দেশাই, কৈলাশ নাথ কাঠজু, অসফ আলি তেজ বাহাদুর সাপ্রু সৈন্যদের পক্ষে মামলা লড়েছিলেন।


✍️রয়্যাল ভারতীয় নৌবাহিনী/ নৌবিদ্রোহ (৪ই ফেব্রুয়ারী 1945)

• 1946 এর 18ই ফেব্রুয়ারী বােম্বের এইচ.এম.আই.স. তলােয়ার জানাজির নৌসেনারা বিদ্রোহ ঘােষণা করেন। এবং বি. সি. দত্তর গ্রেপ্তার, যিনি জাহাজে ভারত ছাড়াে’ লিখেছিলেন।

• 19শে ফেব্রুয়ারী 1946 করাচীতে এইচ. এম. এস. হিন্দুস্থান বিদ্রোহ ঘােষণা করে।

• বল্লভ ভাই প্যাটেল এবং জিন্না যুগ্মভাবে বিদ্রোহ-এর উপর বিশ্বাস রেখে 1946 এর 23 শে ফেব্রুয়ারী তাদেরকে আত্ম সমর্পণ করতে বললেন। •

• ব্রিটিশেরা উপলব্ধি করলেন এই ভাবে ভারতীয়দের মধ্যে জাগরণ এবং সশস্ত্র বাহিনীর বিদ্রোহ। এটা ভারতে তার চির স্থায়িত্ব ধরে রাখতে পারবে না।


✍️ ক্যাবিনেট মিশন (মার্চ-জুন, 1946)

• 15ই মার্চ, 1946 লর্ড ক্লিমেন্ট এটলি (ইংল্যান্ডের প্রধান মন্ত্রী) এক ঐতিহাসিক ঘােষণা করলেন যেখানে স্বায়ত্ত্ব শাসনের অধিকার এবং ভারতের জন্য সংবিধান তৈরীর কথা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

• ফলস্বরূপ ব্রিটিশ ক্যাবিনেটের প্যাট্রিক লরেন্স, স্যার স্ট্রাফোর্ড ক্রিপস এবং এ. ভি. আলেক জান্ডারকে ভারতে পাঠানাে হয়েছিল, এটা ক্যাবিনেট মিশন নামে পরিচিত।


• ক্যাবিনেট মিশনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হল—

• প্রদেশের তিনটি দল তাদের আলাদা সংবিধান তৈরী করতে পারে তার জন্য চুক্তি।

• ভারতের ইউনিয়ন তৈরীর প্রস্তাব যা ব্রিটিশ ভারত এবং দেশীয় রাজ্য নিয়ে গঠিত।

• ইউনিয়নের হাতে বৈদেশিক ব্যাপার, প্রতিরক্ষা, যােগাযােগ প্রভৃতি থাকবে অবশিষ্ট ক্ষমতাগুলি প্রদেশের হাতে থাকবে।

• অন্তবর্তীকালীন সরকার ... প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব যা ক্ষমতায় থাকার ... না এক নতুন সরকার তৈরী করছে সংবিধান সভার ওপর দ্বারা তৈরী নতুন সংবিধানের উপর ভিত্তি করে।

• পূর্ণ বিকশিত পাকিস্তান তৈরীর প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান। মুসলিম লীগ ও কংগ্রেস পরিকল্পনাকে গ্রহণ করে।

• ফলস্বরূপ নির্বাচন হবে 1946-এর জুলাই মাসে, সংবিধান সভা তৈরীর জন্য।

• কংগ্রেস 214টি আসনের মধ্যে 205টি পেল। মুসলিম লীগ 78টি মুসলিম আসনের মধ্যে 73টি পেল। 1946 এর ২রা সেপ্টেম্বর জহরলাল নেহেরুর নেতৃত্বে এর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তৈরী হল। 


✍️ জিন্নাহর প্রত্যক্ষ সংগ্রাম প্রস্তাব (16ই আগস্ট, 1946)

• জিন্নাহর নির্বাচনের ফলাফলে ভীত হয়ে ওঠে। কংগ্রেস 273টি আসনের মধ্যে 209টিতে জিতে জয়লাভ করে। কারণ মুসলিম লীগ সংবিধান সভা থেকে পুরােপুরি বাদ পড়ে যাওয়ায় আশঙ্কা এসেছিল।

• তাই মুসলিম লীগ 1946 এর 29শে জুলাই ক্যাবিনেট মিশনের পরিকল্পনাকে গ্রহণ করা প্রত্যাহার করলেন।

• এটা প্রত্যক্ষ সংগ্রাম’ প্রস্তাব পাশ করলেন যা ব্রিটিশ সরকার এবং কংগ্রেসের উভয়েরই নিন্দা করলেন (16ই আগস্ট, 1946)। এর ফলে ব্যাপক সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হল।


✍️অন্তর্বর্তীকালীন সরকার (2রা ডিসেম্বর, 1946)

• ক্যাবিনেট মিশন পরিকল্পনার ওপর ভিত্তি করে কংগ্রেস মনােনীত প্রার্থীদের নিয়ে 1946 এর ২রা সেপ্টেম্বর অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। নেহেরুকে উপসভাপতি ঘােষণা করা হয়। গভর্নর জেনারেলকে রাষ্ট্রপতি করা হয়। মুসলিম লীগ প্রথমে যােগ দিতে অস্বীকার করে। লর্ড ওয়াভেল লীগকে 1946-এর অক্টোবর মাসে বিশ্বাস করিয়ে যােগদান করতে বললেন।


✍️ সংবিধান সভার গঠন (9ই ডিসেম্বর 1946) 

• সংবিধান সভা ৩ই ডিসেম্বর, 1946 গঠিত হয় এবং ড. রাজেন্দ্র প্রসাদকে এর সভাপতি নির্বাচিত করা হয়, কিন্তু লীগ যােগদান করেনি। মুসলিম লীগের লিয়াকৎ আলি খানকে অর্থমন্ত্রী করা হয়।


✍️ এটলির ঘােষণা (20শে ফেব্রুয়ারী 1947)

• 1948, 30শে জুনের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তর করে দেওয়া হবে স্থির করা যায়। যদিও ভারতীয় রাজনীতিবিদরা সংবিধানে সেই সময়ে রাজী হননি।

• ব্রিটিশ ক্ষমতা এবং আইনের দেশীয় রাজ্যগুলির ক্ষমতা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে একে অপরের সাথে চুক্তি বদ্ধ হবে, কিন্তু এটা পরবর্তী কোন সরকারকে দেওয়া হবে না।

• মাউন্টব্যাটেন ওয়াভেল এর স্থলে ভাইসরয় হিসাবে আসবে।

• যাতে দেশবিভাগের কথা অন্তর্ভুক্ত ছিল যদি সংবিধান সভা সম্পূর্ণ প্রতিনিধি দিতে না পারে, ক্ষমতা একের বেশি কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে হস্তান্তরিত হবে।


✍️ মাউন্ট ব্যাটন পরিকল্পনা(3রা জুন, 1947)

• 20শে ফেব্রুয়ারী, 1947 প্রধান মন্ত্রী এটলি হাউস ওফ কমন্স-এ ক্ষমতা হস্তান্তরের নির্দিষ্ট ইচ্ছা প্রকাশ করলেন।

• ক্ষমতা হস্তান্তরকে কার্যকর করতে এটলি লর্ড মাউন্ট ব্যাটেনকে ভারতের ভাইসরয় হিসাবে পাঠানাের জন্য স্থির করলেন।

• লর্ড মাউন্টব্যাটেন বিশাল ক্ষমতায় সজ্জিত হয়ে, 24শে মার্চ, 1947 ভারতের ভাইসরয় হলেন।

• ভারতের বিভাজন ও পাকিস্তানের গঠন তার কাছে অপরিহার্য মনে হয়।

• বিস্তৃত পরামর্শের পর, লর্ড মাউন্ডব্যাটেন ভারত বিভাজনের পরিকল্পনাকে 3রা জুন, 1947 আমল দিলেন।

• কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ পরিশেষে মাউন্টব্যাটন পরিকল্পনাকে অনুমােদন করে।

• ভাইসরয় হিসাবে মাউন্টব্যাটেন তার পূর্বসূরীদের থেকে বেশী দৃঢ় এবং তৎপর ছিলেন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে।

• তার কাজ ছিল সংহতি অথবা বিভাজনের মধ্যে যে কোন একটিকে বাছাই করার পরীক্ষা করা অক্টোবর 1947 এর মধ্যে এবং তারপর ব্রিটিশ সরকারকে ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যাপারে পরামর্শ দেওয়া।

• বাংলা ও পাঞ্জাবকে বিভাজিত করা হবে এবং উত্তর পূর্ব সীমান্ত প্রদেশ ও আসামের সিলেট জেলায় গণ ভােট হবে। বাংলা ও পাঞ্জাবের আইনসভা এই দুই প্রদেশের বিভাজনের পক্ষে স্থির করবে। এইভাবে পূর্ব বাংলা এবং পূর্ব পাঞ্জাব ভারতে থাকবে। সিলেটে গণ ভােটের ফল স্বরূপ পূর্ববঙ্গের সাথে অসহযােগিতা করল।

• 1947 সালের জুলাই মাসে ভারত ব্রিটিশ সরকার পাশ করলেন যেখানে মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা দ্বারা প্রস্তাবিত শর্তগুলিই বেশীর ভাগ ছিল।

•1947 সালের 15ই আগস্ট ভারত ও পাকিস্তানকে ক্ষমতা হস্তান্তর করার দিন স্থির হল।


✍️ ভারত শাসন আইন, 1947

ব্রিটিশ সরকার পূর্বে অনুমােদিত মাউন্ট ব্যাটেন পরিকল্পনার সাথে সহমত হল 18ই জুলাই, 1947 ভারত শাসন আইনকে কার্য করা। আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল—

• 15ই আগস্ট, 1947 সাল থেকে ভারত ও পাকিস্তান রূপে রাষ্ট্রের বিভাজন কার্যকর হবে।

• ব্রিটিশ সরকার এই দুই ডােমিনিয়ানকে সমস্ত ক্ষমতা হস্তান্তর করা।

• এই সীমানা কমিশন বাংলা ও পাঞ্জাব প্রদেশ গুলির সীমা নির্দেশ করবে।

• এই দুই জিমিনিয়ানের সংবিধান সভাকে এই আইন ক্ষমতা হস্তান্তর করবে যা তাদেরকে সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব দেবে তাদের নিজেদের সংবিধান গঠন করার।

• র্ডক্লিফ সীমানা কমিশন ভারত ও করার সীমানা রচনা করে।

• 15ই আগস্ট, 1947 ভারত এবং 14ই আগস্ট 1947_ পাকিস্তান দুটি পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে আত্মপ্রকাশ করল।

• লর্ড মাউন্টব্যাটেন প্রথম স্বাধীন ভারতের গভর্নর জেনারেল নির্বাচিত হলেন সেখানে মহম্মদ আলি জিন্নাহ পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল নির্বাচিত হলেন।


✍️ স্টেটের একত্রীকরণ

• বল্লভভাই প্যাটেল স্টেটের একত্রীকরণে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করল। কাশ্মীর, হায়দ্রবাদ, জুনাগড় ছাড়া সমস্ত রাজ্যগুলি ভারত সরকারের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার চুক্তিতে সাক্ষর করল। 1947 এর অক্টোবর মাসে পাকিস্তান বাহিনী ভারত আক্রমণ করলে কাশ্মীরের মহারাজ ভারত রাষ্ট্রের সাথে যুক্ত হল।

• 1948 এর ফেব্রুয়ারী মাসে জুনাগড় রাজ্যে গণভােট হল জুনাগড়কে ভারতের সাথে যুক্ত করা হল। নবাব পাকিস্তানে চলে গেলেন।

• ভিতরের অরাজকতা এবং সামরিক কার্যকলাপ রাজ্যে চলতে থাকায় হায়দ্রাবাদের নিজাম ভারত রাষ্ট্রে যুক্ত হতে বাধ্য হল।

• ফরাসী উপনিবেশগুলির একত্রীকরণ পণ্ডিচেরী, চন্দননগর, মাহে, কারিকল এবং ইয়ানাম 1954 এর শেষে যুক্ত হল।

• পর্তুগীজ উপনিবেশগুলির একত্রীকরণ 1954 সালে দাদরা ও নগর হাভেলী স্বাধীনতার যােদ্ধাদের দ্বারা মুক্ত হয়। 1961 সালে ভারতীয় বাহিনী গােয়া, দমন ও দিউকে পর্তুগীজদের হাত থেকে মুক্ত করল।

May 29, 2021

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে গান্ধীজীর আবির্ভাব সম্পূর্ণ বিস্তারিত আলোচনা ।Gandhiji's appearance in India's freedom struggle.


প্রিয় বন্ধুরা

আধুনিক ভারতের ইতিহাসে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এই চ্যাপ্টার থেকে আমরা প্রতিনিয়ত পরীক্ষামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসতে দেখে থাকি। তাই এই চ্যাপ্টারটি সম্পূর্ণ বিবরণ এর সাহায্যে আপনাদের কাছে তুলে ধরলাম যেখানেই মহতমা গান্ধীর আগমন থেকে স্বাধীনতা পর্যন্ত সম্পূর্ণ পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ নিচে দেওয আছে।


 ✍️আফ্রিকায় গান্ধীজীরআবির্ভাব:

• ১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দে ২রা অক্টোবর গুজরাটের প্রাদেশিক রাজ্য কাথিয়াবারের পােরবন্দর শহরে মােহনদাস করমচঁদ গান্ধী ও জন্মগ্রহণ করেন।

• ইংল্যান্ডে আইন পরীক্ষায় সাফল্যের পর ১৮৯১ খ্রিষ্টাব্দে দেশে ফেরেন।

• তিনি মুম্বাই ও রাজকোটে আইনব্যবস্থায় ব্যর্থ হয়েছিলেন। • ১৮৯৩ খ্রিষ্টাব্দে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার নাতাল শহরে দাদা আবদুল্লার হয়ে আইনজীবী হিসাবে মামলা লড়ার জন্য গমন করেন।

• দক্ষিণ আফ্রিকায় কর্মসূত্রে আগত এশীয় মহাদেশের শ্রমিকদের উপর বর্ণবিদ্বেষী নিপীড়ন লক্ষ্য করেছেন। 

• তিনি ভারতীয় শ্রমিকের অধিকার অর্জনের সংগ্রামকে সংগঠিত করার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

• ১৯১৪ সাল অবধি তিনি সেইখানে বাস করেন পরে জানুয়ারী ১৯১৫ সালে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

•গান্ধীজীরভারতেপ্রত্যাবর্তন:

• 1915 সালের জানুয়ারী মাসে গান্ধীজী ভারতে প্রত্যাবর্তন করেন। তিনি কোন রাজনৈতিক দলে যােগদান করেন নি। কারণ কোন রাজনৈতিক দলই তার অহিংস সত্যাগ্রহের উপর বিশ্বাস রাখতে পারেনি।

• 1917 থেকে 1918 সাল পর্যন্ত তিনি তিনটি সংগ্রামে লিপ্ত হন।


✓ চম্পারণ সত্যাগ্রহ (1917) (প্রথম আইন অমান্য আন্দোলন):

       বিহারের চম্পারণে নীল চাষীদের সমস্যা অনুসন্ধান করার জন্য রাজকুমার শুক্লা গান্ধীজীকে অনুরােধ করেন। ইউরােপীয় আবাদি জমির মালিকরা চাষীদের মােট জমির 3/20 অংশ নীল চাষ করতে বাধ্য করেন। একে তিন কাঠিয়া পদ্ধতি বলা হয়।

• ১৯ শতকের শেষের দিকে, জার্মানির সিন্থেটিক ডাই এই নীলকে প্রতিস্থাপিত করে।

• একটি ফসল থেকে অন্য ফসলের চাষে পরিবর্তনের আগে ইউরােপীয় জমির মালিকরা তাদের লভ্যাংশ বাড়ানাের জন্য কৃষকদের কাছ থেকে প্রচুর ভাড়া এবং অনৈতিক পাওনা দাবী করল ঠিক চাষের ফসল পরিবর্তন করার পূর্বে।

• ইহা ছাড়াও ইউরােপীয় বণিকদের ধার্য করা দামে কৃষকদের উৎপাদিত শস্য বিক্রি করতে বাধ্য করা হল।

• যখন গান্ধীজী বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য চম্পারণে পৌঁছলেন, কর্তৃপক্ষ তাহাকে সত্বর স্থান ত্যাগ করার আদেশ দিলেন।

• গান্ধীজী ঐ আদেশ উপেক্ষা করে শাস্তির সম্মুখীন হলেন।

• (একটি অন্যায় আদেশের বিরুদ্ধে) ঐ ধরনের নিষ্ক্রিয় প্রতিরােধ বা আইন অমান্য আন্দোলন সেকালে একটি আদর্শ পদ্ধতি ছিল।

• পরিশেষে কর্তৃপক্ষ পিছু হটলেন এবং গান্ধীজীকে তদন্ত করার অনুমতি দিলেন।

• এই বিষয়ে তদন্ত করার জন্য সরকার একটি কমিটি গঠন করে গান্ধীজীকে ঐ কমিটির একজন সদস্য হিসাবে মনােনীত করলেন।

• এই মধ্যে উদ্যোগকারীগণ ঐ অঞ্চল ছেড়ে গেলেন।

• গান্ধীজী কর্তৃপক্ষকে এটা বােঝাতে সক্ষম হলেন যে তিনকাটিয়া পদ্ধতি উঠিয়ে দিতে হবে এবং কৃষকদের নিকট হতে আদায়কৃত অন্যায্য পাওনার জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

• উদ্যোগকারীদের সহিত সমঝােতার ফলে গান্ধীজী ২৫% টাকা ক্ষতিপূরণ হিসাবে মিটিয়ে দেবার প্রস্তাবে সম্মত হলেন।


✓ আমেদাবাদ বস্ত্র কারখানা ধর্মঘট (1918) প্রথম অনশন ধর্মঘট:

• সংক্রামক মহামারী ভাতা বন্ধ করে দেওয়ার ব্যাপারে মিল মালিকদের সহিত শ্রমিকদের বিরােধ সংক্রান্ত বিষয়ে গান্ধীজী হস্তক্ষেপ করলেন।

• গান্ধীজী শ্রমিকদের মজুরী ৩৫% বৃদ্ধি করার দাবীতে ধর্মঘট চালিয়ে যেতে আবেদন করলেন।

• কিন্তু কর্তৃপক্ষ মাত্র ২০% বৃদ্ধির জন্য আগ্রহ দেখালেন

 • গান্ধীজী শ্রমিকদের অহিংস পথে ধর্মঘট করার পরামর্শ দিলেন।

• তিনি শ্রমিকদের দাবীকে জোরদার করার জন্য আমৃত্যু অনশনে যােগ দিলেন।

• অবশেষে মিল কর্তৃপক্ষ শ্রমিকের মজুরী ৩৫% বৃদ্ধিতে সম্মত হলেন।


✓ খেদা সত্যাগ্রহ (1918) (প্রথম অসহযােগ আন্দোলন):

• গুজরাটের খেদা জেলায় ১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দে খরার দরুন শস্য উৎপাদন শূন্য হয়ে যায়।

• রাজস্ব আইন অনুসারে যদি ফসলের স্বাভাবিক উৎপাদনে ১/৪ অংশের নীচে দাঁড়ায়, কৃষকেরা রাজস্ব থেকে রেহাই পেয়ে থাকেন।

• কিন্তু কর্তৃপক্ষ কর ছাড় দিতে অসম্মত হন।

• গান্ধীজী কৃষকদের সমস্যাকে সমর্থন করেন এবং রাজস্ব দেওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন।

• কর্তৃপক্ষ কিন্তু কৃষকদের দাবী-দাওয়ায় প্রকাশ্যে সম্মত না হয়ে পৃথক গােপন আদেশ দেন যে সংগতিসম্পন্ন ব্যক্তিরা রাজস্ব জমা করতে পারবেন।

• খেদা সত্যাগ্রহ চলাকালীন, অনেক যুবা জাতীয়তাবাদী যেমন সর্দার প্যাটেল এবং ইন্দুলাল যাজ্ঞিক গান্ধীজীর অনুগামী হলেন।


✓ ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে মন্ডেগুচেক্সফোর্ডসংস্কার আন্দোলন—ভারত সরকারের আইন (1919) :

• প্রদেশগুলিতে ‘ডায়ার্চি’ (Dyarchy) প্রথার সূচনা হয়।

• প্রাদেশিক বিষয়গুলি সংরক্ষিত বিষয়ে রূপান্তরীত হয়। যথা—পুলিশ, জেল, ভূমি-রাজস্ব, জলসেচ এবং বনভূমি। এছাড়াও স্থানন্তরীত বিষয়গুলি হল—শিক্ষা, স্থানীয় স্বায়ত্ত্বশাসিত সরকার, জনগণের স্বাস্থ্যব্যবস্থা, জঙ্গল সাফাই, কৃষি ও শিল্প।

• সংরক্ষিত বিষয়গুলি শাসন করেন গভর্নর এবং তার কার্যনির্বাহী পরিষদ।

• স্থানান্তরীত বিষয়গুলি শাসন করেন গভর্নর এবং তার মন্ত্রীসভা।

• কেন্দ্রে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা এবং রাজ্যে বিধান পরিষদ (৬০ জন সদস্যবিশিষ্ট) ও বিধানসভা (১৪৫ জন সদস্যবিশিষ্ট) গঠিত হয়।

* এখানের বিধায়কেরা প্রশ্ন তুলতে পারেন এবং কোন তথ্যের সম্পূরক তথ্য দিতে পারেন, আইন পাশ হবার পূর্বে তাকে মুলতুবি করে রাখতে পারেন। বাজেটের একটা অংশতে তারা ভােটও দিতে পারতেন। কিন্তু ৭৫% বাজেটে তখনও ভােট দানের আইন ছিল না।

• ব্রিটিশদের আদায়কৃত রাজস্ব থেকে রাজ্যের সেক্রেটারী ও তার সহায়কদের বেতন দেওয়া হত।

• ভাইসরয়ের কার্যনির্বাহী পরিষদ ৮ জন সদস্যদের মধ্যে বর্ধিত করা হয়। যাদের মধ্যে ৩ জন সদস্য ভারতীয় ছিল। লন্ডনে ভারতের জন্য একজন হাই কমিশনার নিযুক্ত করা হয়েছিল।

• এই আইনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি ছিল ডায়ার্চি প্রথার মাধ্যমে প্রদেশগুলিতে ক্ষমতা ভাগ করে দেওয়া।

• মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কারে ভারতের নিষেধাজ্ঞা • কোন নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হয়নি।

• এর প্রকৃতি কেমন হবে তা শুধুমাত্র সরকার নির্ধারণ করবে।

• এতে ভারতীয়রা ক্ষুব্ধ হয়েছিল কারণ এতে ভারতীয়দের জন্য কোনটা ভাল কোনটা খারাপ সেটা ব্রিটিশরা সিদ্ধান্ত নিত।


রাওলাট আইন (1919) প্রথম গণআন্দোলন: 

        যখন জাতীয়তাবাদীরা যুদ্ধের পরবর্তীকালে সাংবিধানিক সুযােগ সুবিধার প্রত্যাশা করছিলেন ঠিক সেই সময়ে ব্রিটিশ সরকার দমনমূলক রাওলাট আইন নিয়ে আসে, যেটা জাতীয়তাবাদীদের কাছে একটা অপমান ছাড়া কিছু ছিল না। ইহাকে কালাে আইন (Black Act)-ও বলা হত।

* ইহার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধরত জাতীয়তাবাদী ক্রিয়াকলাপ অনুসন্ধান করা।

• সন্দেহের বসে কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা যাবে।

• এইরূপ গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ২ বছরের মধ্যে কোনরূপ আবেদন বা দরখাস্ত করা যাবে না।

• ১৯১৯ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে গান্ধীজী এক সাৱা দেশব্যাপী প্রতিবাদের ডাক দেন।

• কিন্তু শীঘ্রই দেখা গেল যে সাংবিধানিক প্রতিবাদ অসফল হয়। গান্ধীজী এক সত্যাগ্রহ সভার আয়ােজন করেছিলেন এবং সমগ্র ইসলামিক দল ও হােম রুল লিগের দায়িত্বভার যুবক সদস্যদের হাতে তুলে দিলেন।

• শেষ পর্যন্ত প্রতিবাদের যে পদ্ধতিটি নির্বাচন করা হল তার মধ্যে আছে সারা দেশব্যাপী ‘হরতাল’ (Strike) সঙ্গে উপবাস ও প্রার্থনা এবং কারাদণ্ড, গ্রেপ্তার ও কিছু নির্দিষ্ট আইনের বিরুদ্ধে আইন অমান্য।

• এই পরিস্থিতিতে ভারতে আমূল পরিবর্তন দেখা গেল

• জনগণ: নির্দিষ্ট দিক খুঁজে পেল। তারা তাদের অভিযােগগুলির মৌখিক অভিব্যক্তি ত্যাগ করে ক্রিয়াকলাপে নিযুক্ত হল।

• এর পর থেকে কৃষক, কারিগর এবং শহরের দরিদ্র শ্রেণীর লােকেরা জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে লাগলেন।

• জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ঝোক স্থায়ীভাবে জনগণের মধ্যে চেপে বসল।


✓ জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড (13ই এপ্রিল, 1919)

• পাঞ্জাবে, এই রাওলাট সত্যাগ্রহের অতুলনীয় সমর্থন পাওয়া গেল।

• একটি হিংসাত্মক পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে সরকার প্রশাসনিক পরিচালনার দায়িত্ব জেনারেল ডায়ারের সামরিক কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হল।

• ডায়ার সমস্ত জনসমক্ষে আয়ােজিত সভার উপর নিষেধাজ্ঞা জারী করেছিল এবং রাজনৈতিক নেতাদের আটক করেছিল।

* বৈশাখ মাসের প্রথমদিন, এক বিশাল জনস্রোত প্রতিবেশী গ্রাম থেকে এসে জালিয়ানওয়ালাবাগের একটি ছােট মাঠে জমায়েত হয়ে তাদের নেতা ডঃ সত্যপাল ও ডঃ সইফুদ্দিন কিচলেউ-এর গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়। কিন্তু তারা ঐ শহরের নিষেধাজ্ঞার আদেশ সম্পর্কে

• জেনারেল ডায়ারের আদেশে সেনাবাহিনী, জমায়েত হওয়া জনগণকে চারিদিক দিয়ে ঘিরে ফেলে।

• তারা মাঠ থেকে বেরােনাের রাস্তা বন্ধ করে দেয় এবং নিরস্ত্র জনগণের উপর নির্বিচারে গুলি চালায়।


✓ ১৯১৯ সালের গুরুত্ব •

 ১৯১৯সালটি ব্রিটিশ শাসিত ভারতবর্ষের ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য রেখে যায়।

০ রাওলাট বিল ও সন্ত্রাসের রাজত্ব পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডে এক চরম পরিণতি পায়।

• গান্ধীজীর উত্থান ঘটে।

• সমগ্র ইসলাম জাতির উন্নতি ভারতীয় রাজনীতিতে শক্তি বৃদ্ধি করে।

• মন্টেগু-চেমসফোর্ডের প্রতিবেদন অনুসারে ১৯১৯ সালে ভারত সরকার আইন (গভর্মেন্ট অফ ইন্ডিয়া অ্যাক্ট) পাস হয়।

• এর ফলাফল হিসাবে সারা দেশব্যাপী এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদের ঝড় ওঠে এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রতিবাদ হিসাবে তার নাইট উপাধী ফিরিয়ে দেন।

• গান্ধীজী এইরূপ হিংসাত্মক বাতাবরণে বিচলিত হয়ে যান এবং ১৯১৯ সালের ১৮ই এপ্রিল রাওলাট সত্যাগ্রহ আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন।


খিলাফত আন্দোলন (1920-22):

• ১৯২০ সালে সেভ্রের চুক্তিতে কিছু কঠোর মন্তব্য ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুর্কির পরাজয় হল এই আন্দোলনের প্রধান কারণ।

• এই চুক্তির শর্তগুলি মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত অপমানজনক বলে বিবেচিত হয়।

• সমগ্র আন্দোলনটি মুসলিমদের বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে সংগঠিত হয়েছিল, যে খলিফা (তুর্কির সুলতান) ছিলেন সারা বিশ্বে মুসলিমদের প্রধান, তার পরাজয় তাদ্রেদরকে আন্দোলনে নামতে বাধ্য করেছিল।

• মৌলানা আবুল কালাম আজাদ, এম. এ. আনসারী, সৈফুদ্দিন কিচলেউ এবং আলি ভাইরা এই আন্দোলনের বিশিষ্ট নেতা ছিলেন।

• পরবর্তীকালে ১৯২০ সালে মহাত্মা গান্ধীর অসহযােগ আন্দোলনের সঙ্গে খিলাফৎ আন্দোলন যুক্ত হয়ে যায়।


✓ অসহযােগ আন্দোলন (1920-22):

• রাওলাট আইন, জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড ও খিলাফৎ আন্দোলনের পরিণাম স্বরূপ ১৯২০ সালের ১লা আগষ্ট তারিখে এই অসহযােগ আন্দোলন শুরু হয়।

• ১৯২০ সালের ডিসেম্বর মাসে ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের নাগপুর অধিবেশনে ইহা অনুমােদিত হয়। এই অধিবেশনটি ছিল একই বছরে ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের দ্বিতীয় অধিবেশন।

• অসহযােগ আন্দোলনের বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলি হল

• ব্রিটিশদের দেওয়া উপাধি ত্যাগ করে মহাত্মা গান্ধী এই আন্দোলনের সূচনা করেন।

• এর মধ্যে পড়ে উপাধি সমর্পণ করা এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করা।

• ১৯১৯ সালে আইনের বিধান অনুযায়ী নির্বাচন বয়কট করা হয়।

• আইনসভা বয়কট করা হয়। আইনসভার নির্বাচনে কংগ্রেসের কোন নেতা এগিয়ে আসেনি।

• সরকারী অনুষ্ঠান, আদালত, সরকারী বিদ্যালয় ও কলেজ এবং বিদেশী দ্রব্য পরিহার করা হয়।

• বেসরকারী জাতীয় বিদ্যালয়, কলেজ ও পঞ্চায়েত আদালত সৃষ্টি করা হয়।

• স্বদেশী দ্রব্য এবং খাদি’ জনপ্রিয় হয়। • শীর্ষস্থানীয় পয়েন্ট

• কৃষক, ছাত্র, মহিলা ও মুসলিমরা এই আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যােগদান করেন।

• বিদেশী কাপড়ে অগ্নিসংযােগ করা হয়।

• এই আন্দোলনের সময় হিন্দু-মুসলিম ঐকতা গড়ে ওঠে, যার ফল স্বরূপ খিলাফত আন্দোলনের এই আন্দোলনের সঙ্গে সংযােগ।

• ১৯২১ সালে ওয়েলসের রাজপুত্র ভারতবর্ষে এলে তার বিরুদ্ধে গণবিক্ষোভ দেখা দেয়।

• অনেক নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং কংগ্রেস ও খিলাফত কমিটিকে নিষিদ্ধ বলে ঘােষণা করা হয়। 

• কিন্তু ১৯২২ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারী, গান্ধীজী এই বিদ্রোহ সম্পূর্ণরূপে বাতিল করেছিলেন। এর কারণ হল, এই সময় উত্তরপ্রদেশের গােরক্ষপুর জেলার চৌরি চৌরা ঘটনার জন্য, যেখানে ২২ জন পুলিশ কর্মী আগুনে পুড়ে মারা যান।

• ১৯২২ সালের মার্চ মাসে গান্ধীজীকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার ৬ বছরের জেল হয়। কিন্তু ১৯২৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে বরদৌলি থেকে স্বাস্থ্য খারাপ থাকার জন্য জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।


✓ চৌরি-চৌরা ঘটনা (1922):

• ১৯২২ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারী গােরক্ষপুরের কাছে চৌরি-চৌরায় উচ্ছঙ্খল জনতা পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধের জড়িয়ে পড়েন এবং এতে ২২ জন পুলিশ কর্মী জীবন্ত দগ্ধ হয়ে মারা যান।

• এই ঘটনার জেরে ১৯২২ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারী বরদৌলিতে গান্ধীজী বাধ্য হয়ে অসহযােগ আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন।


May 21, 2021

স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় জাতীয় নেতাদের উপর বিস্তারিত আলোচনা।Detailed discussion on important Indian national leaders in the freedom struggle.


প্রিয় বন্ধুরা

আজকে আমরা আলোচনা করতে চলেছি স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় জাতীয় নেতাদের কথা। এই চ্যাপ্টার এর উপর থেকে আমরা পরীক্ষা তে প্রশ্ন আসতে দেখি, তাই আমরা এই চ্যাপ্টারের সমস্ত ডিটেইলস আপনাদের কাছে রাখার চেষ্টা করলাম আশা করছি আপনাদের আর কোনো পয়েন্ট মিস যাবেনা ।


✓দাদাভাই নৌরুজি (1825-1917):


• ইনি একজন রাজনীতিবিদ, যিনি প্রথম “স্বরাজ” দাবি করেন আই. এন. সি. প্ল্যাটফর্ম থেকে (কোলকাতা অধিবেশন, 1906)।

•তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ “পভার্টি অ্যান্ড আন ব্রিটিশ রুল ইন ইন্ডিয়া” (Poverty and Unbritish Rule in India)-তে তিনি ব্রিটিশদের দ্বারা ভারতের সম্পদ নিঃশেষ হয়ে যাওয়া এবং ভারতে প্রচণ্ড দুর্ভিক্ষের মধ্যে যােগসূত্র বার করেছেন।

•তাকে “ইন্ডিয়ান গ্লাডস্টোন” এবং “গ্রান্ড ওল্ডম্যান অফ ইন্ডিয়া” পদবীতে ভূষিত করা হয়েছে।

•“হাউস অফ কমন অন আ লিবারেল পার্টির টিকিটে তাকে নির্বাচন করা হয়েছিল।


✓অ্যানি বেসান্ত (1847-1933):


• তিনি প্রথম “থিওসােফিক্যাল সােসাইটি ইন ইন্ডিয়া” উদ্বোধন করেন এবং হােম রুল লিগ শুরু করেছিলেন।

• তিনি প্রথম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কেন্দ্রীয় হিন্দু স্কুল’ এবং ‘কলেজ অফ বেনারস’ (পরে ইহা বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি নামে পরিচিত হয়।

•তিনিই প্রথম ১৯১৭ সালের আই. এন. সি.-এর কোলকাতা অধিবেশনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

•তিনি 1920 সালের নাগপুর অধিবেশনে অংশগ্রহণ করেননি, কারণ গান্ধীজীর সাথে তার দূরত্ব তৈরি হওয়ায়। তার মনে হয়েছিল “গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া অ্যাক্ট” করা হয়েছে ভারতকে মুক্ত করার জন্য।

• তিনি নিউ ইন্ডিয়া’ এবং কমনওয়েথ’ সংবাদ পত্রের সম্পাদনা করেছিলেন।

• তিনি তৈরি করেছেন “দি ললাটাস সং” এবং “গীতা’-কে। ইংরাজীতে অনুবাদ করেছেন।


✓বাল গঙ্গাধর তিলক (1857-1920):


• এনাকে “লােকমান্য” উপাধি দেওয়া হয়েছিল।

• আগারকারদের সহযােগীতায় তিনি একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তােলেন যেখানে তিনি জনগণকে সস্তায় শিক্ষা দিতে পারবেন।

• তিনি প্রথম জাতীয় নেতা ছিলেন যিনি সাধারণ মানুষের। সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে চেয়েছিলেন।

• তিনি আখারা, লাঠি ক্লাব এবং গােহত্যা বিরােধী সােসাইটি শুরু করেছিলেন যাতে তিনি জনগণের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করতে পারেন।

• তিনি দুটি সংবাদপত্র শুরু করেন ‘দি মারহাট্টা’ (The Mahratta) ইংরাজীতে এবং ‘কেশরী’ মারাঠীতে।

• প্রথম কংগ্রেস নেতা ছিলেন যিনি অসংখ্য বার জেলে গেছেন। তিনি INC-তে যােগ দেন 1891 সালে।

• তিনি কংগ্রেস চরমপন্থীর “লাল-বাল-পাল”-র গােষ্ঠীর লােক ছিলেন এবং 1907 সালে সুরাট অধিবেশনে কংগ্রেসের ভাঙ্গন ধরে।

• তিনি 1916 সালে হােম রুল লীগের উপস্থাপনা করেন। এবং লক্ষৌ সন্ধি এবং রিফর্ম অ্যাক্ট অমৃতসর কংগ্রেসে 1919 সালে উপস্থাপক হতে সাহায্য করেন।

•ভ্যালেন্টাইন সিরল ওনাকে বর্ণনা করেছেন “ফাদার অফ ইন্ডিয়ান আনরেস্ট” বলে।

• 1920 সালে নাগপুর অধিবেশনে আই. এন. সি. “স্বরাজ”-এর দাবী করেন (তিলকের স্লোগানের পর)।

• তাঁর রচিত বই “দি আরটিক হােম ইন দা বেদাস” এবং “গীতা রহস্য”।


√বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (1833-1894):


• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণার গোঁড়া বাঙালী ব্রাহ্মণ পরিবারে।

• আগেকার রীতি অনুযায়ী ১১ বছর বয়সে উনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।

• বঙ্কিমচন্দ্র প্রথম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হয়েছিলেন।

• ওনার বাবার মতাে, বঙ্কিমচন্দ্র যশােরের ডেপুটি কালেক্টর। হিসাবে নিয়ােগ হয়েছিলেন। তারপর তিনি “ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট”-এর পদে পদোন্নতি হয়েছিল। 1891 সালে তিনি সরকারী চাকুরি থেকে অবসন নেন।

. তার নিকটতম প্রকাশন সংবাদ প্রভাকর” সাপ্তাহিক সংবাদপত্র হিসাবে প্রকাশিত হত।

• দুর্গেশনন্দিনী (1865) এবং কপালকুণ্ডলা (1866) হল তাঁর মুখ্য প্রকাশন। তার এই দুই উপন্যাস সবাইয়ের কাছে গৃহীত এবং অন্যান্য ভাষায় এর অনুবাদ হয়েছে।

• ‘বঙ্গদর্শন’ হচ্ছে মাসিক সাহিত্য পত্রিকা যেটা শুরু হয় 1972 সালে বঙ্কিমচন্দ্রের দ্বারা। এই পত্রিকায় ছিল গল্প, হাস্যকৌতুক, ছবি, ঐতিহাসিক এবং আধ্যাত্মিক প্রবন্ধ।

. উনি উপন্যাস লিখতেই থাকেন এবং তাঁর লেখার দরুন খ্যাতি অর্জন করেন। তার বিখ্যাত উপন্যাস হল “চন্দ্রশেখর” এবং “রজনী” (1877 সালে)।

• বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর উপন্যাস “আনন্দমঠ”প্রকাশিত করেছিলেন 1882 সালে যেখানে “বন্দেমাতরম” গানটা অন্তর্ভুক্ত ছিল। এটা একটি রাজনৈতিক উপন্যাস যেখানে এক সন্ন্যাসী সেনা বিদেশী সৈন্যদের সাথে যুদ্ধ করেছিলেন। “বন্দেমাতরম”-এর সুরটা পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচনা করেছিলেন।

• অনেক সমালােচকরা বঙ্কিমচন্দ্রকে বাংলা সাহিত্যের সেরা লেখক হিসাবে চিহ্নিত করেন এবং তারা দাবী করেছিলেন। যে তাঁর উপন্যাসকে বােঝার জন্য আগে তাকে বােঝা উচিত।

• বঙ্কিমচন্দ্র ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে এবং গভর্নমেন্টের বিরুদ্ধে তার লেখা এবং প্রকাশনার মধ্যে দিয়ে সমালােচনা করতেন।

• “বিষবৃক্ষ” (দি পােয়স ট্রি) 1873 সালে প্রকাশিত হয়েছিল। টাইমসের পত্রিকায় লন্ডনের উপরে ভিত্তি করে “হ্যাব ইউ রেড দিপয়সেন ট্রি অফ বঙ্কিমচন্দ্র চ্যাটার্জী”। • 1894 সালের ৫ই এপ্রিল উনি মারা যান। 


✓বিপিনচন্দ্র পাল(1858-1932):


• বিপিনচন্দ্র পাল ছিলেন জাতীয় রাজনীতিবিদ, সুপ্রতিষ্ঠিত বক্তা এবং লেখক। 1858 সালের ৩ই নভেম্বর হবিগঞ্জ জেলায় এক ছােটো গ্রাম পয়েলে (সিলেট এখন যেটা বাংলাদেশে অবস্থিত) এক ধনী কায়স্থ হিন্দু পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

• তিনি দল নেতাদের গােষ্ঠীতে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন যেখানে লালা লাজপত রায়, বাল গঙ্গাধর তিলক এবং অরবিন্দ ঘােষ যৌথভাবে যুক্ত ছিলেন এবং তারা সামরিক জাতীয়তাবাদী' বা “মিলিটেন্ট ন্যাশনালিস্ট” নামে পরিচিত ছিলেন। এরা প্রারম্ভিক স্বাধীনতা আন্দোলনে আসন্ন জাতীয়তাবাদকে চিহ্নিত করেছেন।

• বাড়ির অমতে উনি নৃত্যকলি দেবী যিনি বিধবা ছিলেন তাকে বিবাহ করে।

•অরবিন্দ ঘােষ তাকে “মাইটিয়েস্ট প্রফেট অফ ন্যাশনালিসম” আখ্যা দিয়েছিলেন।

• ইনি সমর্থন করেছিলেন “এজি অফ কনসেন্ট বিল” (1891), স্বদেশী আন্দোলন এবং আসামের চা বাগানের শ্রমিকদের জন্যেও আন্দোলন করেছিলেন।

• ইনি পরিদর্শক (সাপ্তাহিক), পাবলিক ওপিনিয়ান এবং ট্রিবিউন (সম্পাদক), স্বরাজ (সাপ্তাহিক ইংরাজী পত্রিকা লন্ডনের), হিন্দু রিভিউ (মাসিক পত্রিকা ইংরাজীতে), ইনডিপেনডেন্ট (দৈনিক) এবং ডেমােক্রেটিক।


✓রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (1861-1941)


• দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কনিষ্ঠ পুত্র ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি ব্রাহ্ম সমাজের মূল নেতা ছিলেন। 19 শতাব্দীর নতুন ধার্মিক ক্ষেত্র ছিল যেটা প্রয়াস করেছিল হিন্দুদের মনস্তাত্ত্বিক বিষয়ের পুনর্জাগরণ যেটা উপনিষদে বলা আছে।

• তাঁর শিক্ষা বাড়িতেই হয়েছিল। যদিও তার 17 বছর বয়সে তাকে ইংল্যান্ডে পাঠানাে হয়েছিল তার পড়াশুনাকে শেষ করার জন্য কিন্তু তিনি তার পড়াশুনা সেখানে শেষ করেননি।

• তাঁর পরবর্তী বয়েসে তাঁর সাহিত্য চর্চা ছাড়াও তিনি বিভিন্ন পারিবারিক কাজকর্মের সাথে যুক্ত ছিলেন। একটা প্রকল্প যেটা তাকে সাধারণ মানুষদের কাছে নিয়ে যায় এবং তার সামাজিক সংস্কারের দিকে তার আগ্রহ জাগে।

• তিনি ছিলেন কবি, দার্শনিক, শিক্ষাব্রতী, আন্তর্জাতিকতাবাদী এবং দেশভক্ত।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অগ্রজ ভাই সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন প্রথম ভারতীয় যিনি আই. সি. এস. (ICS) হয়েছিলেন।

• তার প্রথম কবিতা প্রকাশ হয়েছিল অমৃতবাজার পত্রিকায়। তিনি তার পর ‘বনফুল’ গল্প এবং ভানুসিংহের পদাবলী (গান) লিখেছিলেন।

• 22 ডিসেম্বর, 1901 সালে তিনি বােলপুরের কাছে। শান্তিনিকেতনের প্রতিষ্ঠা করেন।

• তিনি গীতাঞ্জলী লিখেছিলেন যার জন্য তাকে 1913 সালে নােবল পুরষ্কার সম্মানে ভূষিত করা হয়েছিল।

• তিনি রাখী বন্ধনের উদ্বোধন করেছিলেন 1905 সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের বিরােধিতা করে।

• তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

• 1915 সালে ব্রিটিশ সরকার তাকে “নাইট” উপাধিতে ভূষিত করেন। জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের পর তিনি এই নাইট উপাধি ফিরিয়ে দেন।

• দুটি দেশ তাঁর রচিত গানকে নিজেদের জাতীয় সংগীত হিসাবে বেছে নিয়েছে। সেগুলি হচ্ছে।

1. ভারত জন গণ মন।

2. বাংলাদেশ আমার সােনার বাংলা।


✓লালা লাজপত রায় (1865-1928)


•লালা লাজপত রায় ছিলেন খুব সাহসী লােক তাই তাকে “লায়ন অফ পাঞ্জাব” বলা হত (শের-এ-পাঞ্জাব)।

• মহাত্মা হংস রাজের থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আর্য সমাজের সদস্য হয়ে “ডাভ কলেজ”-এর প্রতিষ্ঠার জন্য সাহায্য করেছিলেন।

• তিনি তার নাম প্রত্যাহার করেন প্রেসিডেন্সি লিস্ট থেকে আই. এন. সি. সুরাট অধিবেশন থেকে। 1920 সালে কলকাতার কংগ্রেসের বিশেষ অধিবেশনে তিনি সভাপতি ছিলেন।

• তিনি 1922 সালে অসহযােগ আন্দোলন প্রত্যাহার করার বিরােধিতা করেন। তিনি মতিলাল নেহেরু এবং সি, আর. দাসের সাথে যৌথভাবে স্বরাজ্য পার্টির প্রতিষ্ঠা করেন।

•9988 সালে সাইমন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরােধিতা । প্রদর্শন করতে গিয়ে আঘাত পেয়েছিলেন।

•তিনিবন্দেমাতরম্' এবং ‘দি পাঞ্জাব এন্ড দ্য পিউপিল পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।


✓গােপাল কৃষ্ণ গােখেল (1866-1915)


• গান্ধীজী তাকে রাজনীতির গুরু হিসাবে চিহ্নিত করেছিলেন।


• 1905 সালে তিনি বেনারস অধিবেশনে আই. এন. সি.-র সভাপতি ছিলেন এবং তিনি স্বদেশী আন্দোলনকে সমর্থন করেছিলেন।

• তিনি “সার্ভেন্টস অফ ইন্ডিয়ান সােসাইটি”-র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন 1905 সালে। তার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল। মানুষদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার, যারা জাতীয় মিশনারী হয়ে কাজ করবেন।

• জার্নাল “সুধারক”-এর সম্পাদক ছিলেন।


✓মহাত্মা গান্ধী (1869-1948)


• মােহন দাস করমাদ গান্ধী জন্মগ্রহণ করেছিলেন 2রা অক্টোবর, 1869 সালে গুজরাতের পােরবন্দর গ্রামে।

• তাঁর পিতার নাম ছিল করমচাঁদ গান্ধী এবং মাতার নাম পুতলী বাই।

•গােপাল কৃষ্ণ গােখেলে ছিল তাঁর রাজনৈতিক গুরু।

• ব্যক্তিগত সচিব—মহাদেব দেশাই (1942 সালে মারা যান) (ইনি “গান্ধীস্ বােসওয়েল, আ প্লেটো টু গান্ধী সকরেটস” এবং আনন্দ টু গান্ধী বুদ্ধা) নামেও বিখ্যাত ছিলেন।

• ইনি ইংল্যান্ডে আইন পড়েছিলেন 1888-1891 অবধি এবং তার পর তিনি দেশে ফিরে আসেন।

• 1893 সালে তিনি সাউথ আফ্রিকা যান এবং এক ল ফার্মে কাজ করেন।

• সাউথ আফ্রিকায় 1893-1914 :

• ৭ই জুন, 1893 সালে গান্ধীজীকে পিটারমারিটাবাগ স্টেশনে ট্রেনের প্রথম সারির কামরা থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়।

• 1894 সালে নাটাল ভারতীয় কংগ্রেস এর প্রতিষ্ঠা করেন।

• বােয়ার যুদ্ধের সময় 1899 সালে তিনি ইন্ডিয়ান অ্যাম্বুলেন্স কর্পস্-এর প্রতিষ্ঠা করেন।

• 1906 সালে ট্রান্সভালে এশিয়াটিক অর্ডিনেন্সের বিরুদ্ধে তিনি প্রথম আইন অমান্য আন্দোলন শুরু করেন।

• ট্রান্সলে 1907 সালে তিনি সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করেন। কম্পালসারি রেজিস্টেশন এন্ড পার্সেস ফর এশিয়ানস (দি ব্ল্যাক এক্ট)-এর বিরুদ্ধে।

• 1908 সালে ওনার প্রথম জেল হয়।

•1910 সালে ইনি “টলস্টয় ফার্ম” তৈরি করেন জোহানসবার্গের কাছে।

• বােয়ার যুদ্ধে ‘ইন্ডিয়ান অ্যাম্বুলেন্স কর্পসের” প্রতিষ্ঠা করেন। তার জন্য 1914 সালে ব্রিটিশ সরকার গান্ধীজীকে “Kaisar-i-Hind”-এ পুরস্কৃত করেন।

• ৩ই জানুয়ারী, 1915 সালে গান্ধীজী ভারতে ফিরে আসেন। (এই দিনটি প্রবাসী ভারতীয় দিবস হিসাবে পালন করা হয়।)

• গান্ধীজীর উপর সাহিত্যের প্রভাব “Unto This Last” by জন রাসকিন, ইমারসন, যােরায়েউ, লিও টলস্টয়, বাইবেল এবং গীতা।

• গান্ধীজীর সাহিত্য রচনা

• সর্বোদয় (Sarvoday)—1908 সালে গুজরাটী ভাষায় অনুবাদ করা হয় “Unto this Last”-কে।

• হিন্দ স্বরাজ (Hind Swaraj)—1909 সালে লন্ডন থেকে সাউথ আফ্রিকা যাবার পথে এস. এস. from Getaria Gaalay (S. S. Kildonan Castle) জাহাজের উপর বসে উনি এটা লিখেছিলেন। এই বইটিতে উনি আধুনিক যুগে মানবিকতা যে যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে তার কারণ এবং তার প্রতিকার। ইনি এটি প্রথম গুজরাটী ভাষায় লিখেছিলেন এবং সেটা ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল। পরে তিনি এই বইটাকে ইংরাজীতে অনুবাদ করেছিলেন।

• ইনি সম্পাদক হিসাবে ইন্ডিয়ান ওপিনিয়ান (1903-15), হরিজন (1919-3]), ইয়ং ইন্ডিয়া (1933-42)। 

গান্ধীজীর অন্যান্য নাম।

•মহাত্মা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দিয়েছিলেন 1917 সালে।

•মালঙ্গ বাবা/নাঙ্গা ফকির -নামটি দিয়েছিলেন কাবালিরা উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের 1930 সালে।

• হাফ নেকেড সেন্ট/ইন্ডিয়ান ফকির/ট্রেইটার ফকির উইনস্টন চার্চিল 1931 সালে নামটি দিয়েছিলেন।

•রাষ্ট্রপিতা–1944 সালে সুভাষচন্দ্র বােস দিয়েছিলেন।


✓গান্ধীজীর ব্যাপারে মুখ্য তথ্য


•1924–21 দিন—প্রথম হিন্দু মুসলিম ঐক্য উপবাস (Hindu-Muslim Unity Fast)

•1933–21 দিন—তৃতীয় এন্টি-আনটাচাবিলিটি উপবাস (Anti-Untouchability)।

•1943-21 দিন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বন্ধ করার জন্য। 


✓সিরােজিনী নাইডু (1879-1949) 


• সরােজিনী নাইডু “নাইটেগল অফ ইন্ডিয়া (Nightinagle of India) নামে জনপ্রিয় ছিলেন। ইনি অন্ধপ্রদেশের মহিলা কবি এবং জাতীয়তাবাদী ছিলেন। গােপাল কৃষ্ণ গােখেলের পথ প্রদর্শনে ইনি প্রথম মহিলা যে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

 • ইনি অংশগ্রহণ করেছিলেন ডান্ডি মার্চ গান্ধীজীর সঙ্গে এবং 1925 সালে কংগ্রেসের কানপর সেশনে সভাপতিত্ব করেন।


• উনি প্রথম মহিলা যিনি প্রথম রাজ্যপাল হিসাবে নিযুক্ত হন অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যে।

• ওনার বিখ্যাত বই ছিল দা গােল্ডেন থেসহােল্ড (1905), দা ফেদার অফ দা ওন, দা বার্ড অফ টাইম (1912) এবং দা ব্রোকেন উইং (1917)।


✓চক্রবর্তী রাজাগােপালাচারী (1879-1972):


• ইনি একজন রাজনীতিবিদ এবং উকিল ছিলেন তামিলনাড়ুর।

• অসহযােগ আন্দোলনের সময়ে উনি ওনার আইনের চর্চা করা বন্ধ করে দেন।

• উনি জেনারেল সম্পাদক পদে নিযুক্ত হন আই. এন. সি.-র 1921-22 সালে এবং কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য হয়েছিলেন 1922-24 সালে।

• উনি আইন অমান্য আন্দোলন শুরু করেন তামিলনাড়ুতে এবং তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। কারণ তিনি সল্ট মার্চ করেছিলেন তিকোনােপলি থেকে বেদারনিয়মা পর্যন্ত তানজোড় উপকূলে।

• 1937 সালের নির্বাচনে এনাকে মাদ্রাজের মুখ্যমন্ত্রী পদে নিযুক্ত করেন।

• ইনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন 1942 সালে ক্রিপস্ত্রে প্রস্তাব গ্রহণ না করায়।

•উনি কংগ্রেস লিগ কো-অপারেশনের জন্য সি. আর. (C.R.) ফর্মুলা তৈরি করেছিলেন।

•1947 সালের (আগস্ট থেকে নভেম্বর) অবধি পশ্চিমবঙ্গের গভর্নর পদে নিযুক্ত ছিলেন। এবং ইনি অন্যতম প্রথম গভর্নর জেনারেল অফ ইন্ডিয়া পদে নিযুক্ত ছিলেন (1948 থেকে 1950 অবধি)।


• দেশের প্রথম কেবিনেটে উনি প্রথম হােম আফায়ের্সের মন্ত্রীপদে নিযুক্ত হন।

•1959 সালে উনি “স্বতন্ত্র পার্টির প্রতিষ্ঠা করেন। সত্যমেব জয়তের মধ্যে ওনার যুক্তিবাদী ধারণার প্রতিফলন পাওয়া যায়।

• 1954 সালে ওনাকে 'ভারতরত্ন পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। | 


✓ডঃ রাজেন্দ্র প্রসাদ (1884-1963)


• উনি যােগদান করেছিলেন স্বদেশী আন্দোলনে (প্রতিষ্ঠা হয়েছিল বিহারী স্টুডেন্টস্ কনফারেন্স), চম্পারণ সত্যাগ্রহ, অসহযােগ আন্দোলন, আইন অমান্য আন্দোলন এবং ভারত ছাড়াে আন্দোলন।

• উনি পাটনায় জাতীয় কলেজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

• উনি মিনিস্টার-ইন-চার্জের পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন ফুড এন্ড এগ্রিকালচার বিভাগে অন্তর্বর্তী সরকারে। • উনি গণপরিষদের প্রথম সচিব ছিলেন।

• উনি প্রথম রাষ্ট্রপতি পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন ইন্ডিয়ান রিপাবলিকের। 1962 সালে এনাকে ভারত রত্ন পুরস্কার দিয়ে ভূষিত করা হয়।

• ইনি দেশ (হিন্দী সাপ্তাহিক) সংবাদপত্রের সম্পাদনা  করেছিলেন।


✓ জওহরলাল নেহেরু (1889-1964)


•জওহরলাল নেহেরু স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন। উনি আধুনিক ভারতের ভাস্কর হিসাবে পরিচিত ছিলেন।

• জওহরলাল নেহেরু জন্মগ্রহণ করেছিলেন 14ইনভেম্বর, 1889 সালে এলাহাবাদে।

• 1928 সালে ইনি আই. এন. সি. (INC)-র জেনারেল। সচিব পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন এবং 1929 সালে সভাপতি পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন।

• লাহাের সেশনে, নেহেরজীর সভাপতিত্বে ইনডিপেনডে রেসােলিউসন পাশ হয়েছিল।

• 1947-1964 সাল অবধি উনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর পদে নিযুক্ত ছিলেন।

•“পঞ্চশীল ডকট্রিন’-এর লেখক ছিলেন এবং ইনি নন-এলাইনমেন্টের (Non-Alignment)-এর নীতিতে বিশ্বাস করতেন।

• তাঁর রচিত কিছু লেখা দা ডিসকভারি অফ ইন্ডিয়া, গ্লিসেস্ অফ ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রি, এ ব্রাঞ্চ অফ ওল্ড লেটার, দি ইউনিটি অফ ইন্ডিয়া, ইন্ডিপেনডেনস্ এন্ড আফটার, ইন্ডিয়া এন্ড দা ওয়ার্ল্ড তার আত্মজীবনীর নাম “এন অটোবায়ােগ্রাফি”।


✓মৌলানা আবুল কালাম আজাদ (1890-1958)


• মৌলানা আবুল কালাম আজাদ 1890 সালে মেক্কাতে জন্মগ্রহণ করেন। উচ্চ শিক্ষা লাভ করার জন্য উনি কায়রােতে অল অজহার ইউনিভার্সিটিতে পড়তে যান।

• স্বদেশী আন্দোলনের সময় উনি আই. এন. সি.-তে যােগদান করেন।

• উনি দুটি সাপ্তাহিক পত্রিকা শুরু করেছিলেন “অল হিলাল” এবং “অল বলাগা”।

. 1920 সালে উনি খিলাফত কমিটির সভাপতি পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন। দিল্লীতে 1923 সালে উনি কংগ্রেস সেশনের সভাপতি পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন।

• 1945 সালে উনি সিমলা কনফারেন্স-এ কংগ্রেসের প্রতিনিধি হিসাবে যােগাদন করে। কেবিনেট মিশন প্ল্যানের সময়ে উনি প্রতিনিধিত্ব করেন।

• 1946 সালে উনি গণপরিষদের সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন। উনি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় শিক্ষামন্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত হন। উনি ছিলেন স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী।

 • ইউ. জি.সি. (UGC) এবং আই.আই.টি. (IIT) খঙ্গপুর প্রতিষ্ঠায় ওনার একটা যােগদান ছিলেন।

• ওনার লেখা “ইন্ডিয়া উইনস্ ফ্রিডম”অনেক সমালােচনার ঝড় উঠেছিল। 


✓খান আব্দুল গাফফার খান (1890-1988)


• সীমান্ত গান্ধী, বাদশাহ খান এবং সরশাদী গান্ধী নামে জনপ্রিয় ছিলেন খান আবদুল গফর খান।

• উনি একটা দলের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। নাম দিয়েছিলেন

“খােদাই খিদমদগার”। এটা একটা অহিংস আন্দোলনকারীর সংগঠন যেটা ‘রেড সার্টস’ নামে পরিচিত।

•‘পাখতুন’ নামে উনি একটা সংবাদপত্রের প্রকাশনা করেছিলেন।

• খান আবদুল গফফর খান তীব্রভাবে বিভাজনের (Partition) বিরােধিতা করেছিলেন।

•ভারত সরকারের দ্বারা 1987 সালে ওনাকে ভারতরত্ন পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হয়েছে।


✓ডঃ ভীমরাও আম্বেদকর (1891-1956)


• উনি একজন আইনজ্ঞ, সামাজিক রাজনীতিবিদ, সমাজ সংস্কারক এবং অবদমিত দলের নেতা ছিলেন।

• 1891 সালে উনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন মাহার কাস্টে মাহুতে (বর্তমানে মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত)।

• উচ্চশিক্ষা লাভ করার জন্য উনি ইংল্যান্ড এবং আমেরিকার গিয়েছিলেন।

•মাহার কাস্টে উনি ছিলেন প্রথম স্নাতক/ 

•উনি তিনটি গােল টেবিল বৈঠকে যােগ দিয়েছিলেন।

* 1932 সালে গান্ধীজীর সাথে উনি পুণা সন্ধি সই করেছিলেন।

• 1942 থেকে 1946 সাল অবধি উনি গভর্নর জেনারেলের কার্যনির্বাহী পরিষদে ছিলেন।

• ইন্ডিয়ান লেবার পার্টি, দি মিডিউল কাস্ট ফেডারেশন, কাস্ট ফেডারেশন এবং পিউপিল এডুকেশন সােসাইটির উনি সংগঠিত করেছিলেন।

• ভারতীয় সংবিধানের খসড়া কমিটির উনি সভাপতি ছিলেন।

• ভারতীয় বিধানসভায় উনি হিন্দু কোড বিল নিয়ে আলােচনা করেছিলেন।

•নেহেরুর কেবিনেটে উনি আইনমন্ত্রী পদে নিযুক্ত ছিলেন 1947 থেকে 1951 অবধি।

• জীবনে শেষের দিকে উনি বৌদ্ধধর্ম আপন করে নিয়েছিলেন।

• 1924 সালে ডিপ্রেসড ক্লাস ইনস্টিটিউট এবং সমাজ সমতা সংঘ 1927 সালে উনি এগুলাের প্রতিষ্ঠা করেন। ডঃ আম্বেদকর ছিলেন একজন বিশিষ্ট আইনজ্ঞ।

•ডাঃ আম্বেদকর “পিউপিলস্ এডুকেশন সােসাইটির প্রতিষ্ঠা করেন।

• 1956 সালে উনি “দি রিপাবলিকন পার্টি” শুরু করেছিলেন।


✓ সুভাষচন্দ্র বােস (1897-1945)


• সুভাষচন্দ্র বােস “নেতাজী” নামে জনপ্রিয় ছিলেন। 1897-এর 23শে জানুয়ারী ওড়িশার কটকে জন্মগ্রহণ করেন। res

• 1920 সালে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস (আই. সি. এস.) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন কিন্তু চাকরি পরিত্যাগ করেন। উনি গান্ধীজীর ডাকে অসহযােগ আন্দোলনে যােগ দেন।

•1928 সালে সুভাষচন্দ্র বােস ও জওহরলাল নেহেরু মিলিতভাবে “ইন্ডিপেন্ডেস্ লিগ অফ ইন্ডিয়া” গঠন করেন।

•1938 সালে আই. এন. সি-র হরিপুর কংগ্রেস অধিবেশনে সভাপতি পদে নিযুক্ত হন। 1939 সালে ত্রিপুরি অধিবেশনে সভাপতি পদে নিযুক্ত হন।

• গান্ধীজীর সাথে ভাবাদর্শগত পার্থক্যর জন্য নেতাজী ত্রিপুরী অধিবেশন থেকে পদত্যাগ করেন।

• 1939 সালে ফরওয়ার্ড ব্লক গঠন করেন। 

• 1941 সালে ছদ্মবেশে কলকাতা ত্যাগ করে বার্লিনে পৌঁছান এবং হিটলারের সঙ্গে দেখা করেন। 

•1943 সালে সিঙ্গাপুরে ভারতীয় জাতীয় সেনাদের সব দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন এবং ভারতীয় প্রভিনসিয়াল সরকার গড়ে তােলেন।  দেব।”

•তার আন্দোলনের মূল স্লোগান ছিল “দিল্লী চলাে” ও “তােমরা আমায় রক্ত দাও, আমি তােমাদের স্বাধীনতা

• নেতাজী মহাত্মা গান্ধীকে “জাতীয় পিতা” বা “রাষ্ট্রপিতা”-র আখ্যা দিয়েছেন।

• নেতাজী “জয় হিন্দ” স্লোগান দিয়েছিলেন।

• উনি নিজের আত্মজীবনী লেখেন “দি ইন্ডিয়ান স্ট্রাগেল”। ॥ 


✓ভগত সিং (1907-1931)


•হিন্দুস্থান সােসালিস্ট রিপাবলিকেশন এ্যাসােসিয়েশনের (HSRA) সদস্য ছিলেন।

• মিলিটেন্ট নৌজওয়ান ভারত সভা শুরু করেছিলেন পাঞ্জাবে। 

• 1928 সালে ব্রিটিশ ও সরকারী অধ্যক্ষ সােনডেরসকে হত্যা করেছিলেন। তিনি লাহাের ষড়যন্ত্রের সাথে যুক্ত হন এবং কেন্দ্রীয় আইন পরিষদে বােমাবাজি করেছিলেন।

• 1931-এর 23শে মার্চ এনাকে প্রাণদণ্ড দেওয়া হয়।






April 26, 2021

ব্রিটিশ ভারতের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উপর বিস্তারিত আলোচনা ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর।ব্রিটিশ ভারতের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উপর বিস্তারিত আলোচনা ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর।Detailed discussion and answer to important questions on the administrative and economic system of British India.


 প্রিয় বন্ধুরা

     আজকে আমরা আপনাদের কাছে নিয়ে এসেছি ব্রিটিশ ভারতের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উপরে বিস্তারিত আলোচনা ও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর পর্ব। এই চ্যাপ্টার থেকে প্রত্যেক পরীক্ষায় দুটোই কিংবা একটি প্রশ্ন এসে থাকে তাই আপনাদের কথা মাথায় রেখে আমরা সমস্ত ইম্পর্ট্যান্ট প্রশ্ন উত্তর এই চ্যাপ্টার এর মধ্যে ডিসকাস করে দিলাম আপনারা নিচের প্রশ্ন উত্তর গুলি দেখে নেবেন।


✓রেগুলেটিং অ্যাক্ট 1773

• এই অ্যাক্টের মাধ্যমে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গতিবিধির উপর নিয়ন্ত্রন আনেন। 

• গভর্নর অফ বেঙ্গল (ফোর্ট উইলিয়াম)-কে গভর্নর জেনারেল অফ বেঙ্গল পদে পদোন্নতি দেওয়া হল। ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলার প্রথম গভর্নর জেনারেল হন। 

• গভর্নরের কার্যনিবাহী কাউন্সিল গঠিত হয় 4 জন সদস্য যুক্ত আলাদা কোন লেজিসলেটিভ (আইন প্রণয়ক) কাউন্সিল গঠিত হয় নি।

• এটি বম্বে ও মাদ্রাজের গভর্নরদের বাংলার গভর্নরদের অধীনে এনে দেয়। 

• 1774 সালে ফোর্ট উইলিয়ামে প্রতিষ্ঠিত সুপ্রিম কোর্টকে সর্বোত্তম কোর্ট হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। 

• এটি কোম্পানীর কর্মচারীদের অন্যকোন রকম ব্যক্তিগত ব্যবসা করা থেকে বা ঘুষ নেওয়া থেকে বিরত করে 

• কোম্পানীর কোর্ট অফ ডিরেক্টরদের ব্রিটিশ সরকারের কাছে রাজস্ব সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়।


✓ পিটস অ্যাক্ট 1784 

• কোম্পানীর ব্যবসায়ীক ও রাজনৈতিক কার্যবলীকে পৃথক করা হয়। 

• এটি ব্যবসায়িক স্বার্থে কোর্ট অব ডিরেক্টারস এবং রাজনৈতিক স্বার্থে বাের্ড অব কন্ট্রোল গঠন করা হয়। 

• গর্ভনর জেনারেলের কাউন্সিলের সদস্য সংখ্যা কমিয়ে 3 করা হয়।ভারতের যাবতীয় বিষয় এর উপর ব্রিটিশ সরকারের নিয়ন্ত্রন চলে আসে। 

• ভারতবর্ষের অধীনে থাকা অঞ্চলগুলিকে ‘The British Possession in India' বা “ব্রিটিশ অধিকৃত ভারত” বলে আখ্যা দেওয়া হয়।

• মাদ্রাজ এবং বােম্বেতে গর্ভনর এর কাউন্সিল গড়ে ওঠে।


✓ স্যার জন শাের (1793-1798) 

• তিনি “non intervention” নীতি গ্রহন করেন। 

• তিনি চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত পরিকল্পনা করতে একটি গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করেন।

• তিনি প্রথম চার্টার অ্যাক্ট (1793) প্রবর্তন করেন। 

• নিজাম ও মারাঠাদের 1795 মধ্যে খারদার যুদ্ধ হয়, মারাঠারা জয়ী হয়। 

• কন্যাভ্রুণ হত্যাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। 

• 1793-98 অবধি সিলন দ্বীপপুঞ্জ মাদ্রাজ প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত ছিল।


✓ স্যার অ্যালুর্ত ক্লার্ক (1798) 

• তিনি সাময়িকভাবে এই পদে ছিলেন লর্ড ওয়েলেসলি (1798-1905) 

• 1798 সালে বিখ্যাত অধীনতামূলক মিত্ৰতা নীতি প্রবর্তন করেন। চতুর্থ ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ হয় এবং টিপু সুলতান মারা যায়। তিনি 1799 সালে “Censor ship of Press Act” চালু করেন। 

• তিনি কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ (1800) প্রতিষ্ঠা করেন। Civil Servant দের প্রশিক্ষণের জন্য।

 • তিনি Bengal Tiger বা বাংলার বাঘ নামে বিখ্যাত ছিলেন।


✓ অধিনতামূলক মিত্রতার নীতি (subsidiary Alliance) 

ব্রিটিশদের রাজনৈতিক ক্ষমতার মধ্যে ভারতের রাজ্যগুলিকে আনার জন্য ওয়েলেসলি অধিনতামূলক মিত্রতার নীতির প্রচলন করেন।

• এই নীতি অনুসারে, ভারতীয় মিত্র রাজ্যগুলির রাজারা তাদের প্রদেশের মধ্যে ব্রিটিশ সৈন্যবাহিনীর স্থায়ী ছাউনি গঠন করতে বাধ্য থাকবে এবং তাদের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ভাতা দান করবে। ব্রিটিশরা তাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, রাজ্যের আভ্যন্তরীণ ক্রিয়াকলাপে তারা কোন রকম অংশগ্রহণ করবে না। কিন্তু তারা এই প্রতিশ্রুতি কখনও-সখনও রাখতেন। 

• এর ফলে রাজ্যগুলির সেনাদল ভেঙে যায় এবং তারা ব্রিটিশদের রক্ষাকর্তায় পরিণত হয়।

• 1798 সালে হায়দ্রাবাদের নিজাম প্রথম এই স্বত্ববিলােপ নীতি গ্রহণ করেন, এরপর 1801 সালে আওয়াধের নবাব দ্বিতীয়বার এই নীতি গ্রহণ করেন।

• এরপর একে একে পেশােয়া, ভোঁশলে, সিন্ধিয়া এবং জয়পুর ও যােধপুরের রাজপুতরা এই স্বত্ববিলােপ নীতি মেনে নেন।


✓ লর্ড কর্ণওয়ালিশ (1805) 

• তাঁকে আরও একবার ক্ষমতায় আনা হয় কিন্তু শীঘ্রই তাঁর মৃত্যু ঘটে। স্যার জর্জ বালো (1805-1807) 

• তাঁর শাসনকালে অন্যতম গুরুত্বপূর্ন ঘটনা ছিল ভেলােরের বিদ্রোহ (1806) এই বিদ্রোহে ভারতীয় সেনারা অনেক ইংরেজ কর্মকর্তাকে হত্যা করে। দ্বিতীয় ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধ।


✓ লর্ড মিন্টো (1807-1813)

• তার সময়ে পারস্যের শাহদের সঙ্গে একটি সন্ধি ও রঞ্জিৎ সিংহের সঙ্গে অমৃতসরের সন্ধি (1809) স্বাক্ষরিত হয়। 

• তিনি স্যার চালস মেটকাফ এর সঙ্গে রঞ্জিৎ সিংহের কোটে গিয়েছিলেন। চার্টার অ্যাক্ট (1813) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর একাধিপত্য শেষ করে ভারতে।


✓ লর্ড হেস্টিংস (1813-1823)

• তিনি ভারতীয়দের উচ্চপদে নিয়ােগ করেন। তিনি প্রথম ভার্নাকুলার নিউজ পেপার সমাচার প্রত্রিকা প্রকাশ করা শুরু করেন।

• তিনি যুদ্ধ ও হস্তক্ষেপ নীতি গ্রহন করেন।

• ইঙ্গ নেপাল যুদ্ধ (1814-1816) সাগউলির সন্ধি স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি নেপালের সঙ্গে সীমান্তরেখা স্থাপন করে। • তৃতীয় ইঙ্গ মারাঠা যুদ্ধ (1817-18)।

• তাঁর সময়ে গভর্নর থমাস মুনরাে এবং চার্লস রিড মাদ্রাজে রায়তওয়ারি ব্যবস্থা চালু করেন। 

• পেশােয়ার সঙ্গে পুনা চুক্তি হয় (1817)। 

•পিনডারিদের দমন করেন।


📌 এই চ্যাপ্টারের উপরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্তর নিচে আলোচনা করা হলো।


১.সূর্যাস্ত  আইন কে প্রবর্তন করেন? (WBCS (Prelim)

ক। ওয়ারেন হেস্টিংস 

খ। লর্ড কর্নওয়ালিশ 

গ। লর্ড বেন্টিঙ্ক 

ঘ। লর্ড ক্যানিং 

উ ত্ত র:- খ

২.কোন্ আইনে ভারতে খ্রিস্টান মিশনারিদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল? (WBCS (Prelim.)

ক। চার্টার অ্যাক্ট, 1793 

খ। চার্টার অ্যাক্ট, 1813

গ। চার্টার অ্যাক্ট, 1833

ঘ। পিটস ইন্ডিয়া অ্যাক্ট, 1784 

উ ত্ত র:- খ

৩. কোন্ সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তিত হয়? (WBCS(Prelim.) 

ক। 1791 খ্রি. 

খ। 1792 খ্রি. 

গ। 1793 খ্রি. 

ঘ। 1794 খ্রি. 

উ ত্ত র:- ঘ

৪. ডালহৌসি অযােধ্যা দখল করেন— [WBCS (Prelim)

ক। 1848 খ্রি. 

খ। 1857 খ্রি. 

গ। 1853 খ্রি. 

ঘ। 1856 খ্রি.

উ ত্ত র:- খ

৫. 1919 খ্রি. আইন' যে নামে পরিচিত

ক। রাওলাট আইন

খ। মর্লে মিন্টো আইন

গ। মন্টেগু চেমসফোর্ড আইন

ঘ। সাইমন কমিশ

উ ত্ত র:- গ

৬. কে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন?(WBCS (Prelim.)

ক। লর্ড কর্নওয়ালিশ

খ। ওয়ারেন হেস্টিংস

গ। জন শাের

ঘ। লর্ড বেন্টি

উ ত্ত র:- ক

৭. ব্রিটিশ পার্লামেন্টে প্রথম ভারতীয় সদস্য হিসেবে কে মনােনীত হন? (WBCS (Prelim.

ক। জে এল নেহরু

খ। দাদাভাই নৌরজি

গ। এম কে গান্ধি

ঘ। এঁদের কেউই নন

উ ত্ত র:- খ

৮. কলকাতায় প্রথম সুপ্রিমকোর্ট স্থাপিত হয়েছিল নিম্নলিখিত কোন আইন অনুসারে?

ক। রেগুলেটিং অ্যাক্ট, 1773 

খ। রেগুলেটিং অ্যাক্ট, 1793

গ। চার্টার অ্যাক্ট, 1813

ঘ। কোনােটিই নয় 

উ ত্ত র:- ক

৯. কোন্ ভারতশাসন আইন অনুসারে সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, গােপালকৃয় গােখলে, রাসবিহারী ঘােষ কেন্দ্রীয় আইনসভায় পরােক্ষভাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন? 

ক। ভারতশাসন আইন, 1861 

খ। ভারতশাসন আইন, 1892 

গ। মর্লে-মিন্টো শাসন সংস্কার, 1909

ঘ। কোনােটিই নয় 

উ ত্ত র:- খ

১০. 1935 খ্রি. ভারতশাসন আইন অনুসারে----

ক। প্রদেশগুলিতে দ্বৈতশাসনের অবসান ঘটিয়ে স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় 

খ। সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে নির্বাচন বন্ধ হয়

গ। কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে দুটি তালিকায় ক্ষমতা বণ্টিত হয় 

ঘ। কোনােটিই নয়

উ ত্ত র:- ক

১১. নিম্নলিখিত কোন আইনানুসারে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে এবং ব্রিটিশ সরকারের শাসন শুরু হয়? 

ক। মর্লে মিন্টো রিফর্ম,909 

খ। মন্টেগু-চেমসফোর্ড আইন,919

গ। ভারতশাসন আইন,1858

ঘ। কোনােটিই নয়

উ ত্ত র:- গ

১২.কোনটির দ্বারা অন্যান্য ইউরােপীয় কোম্পানিগুলি ভারতে অবাধ বাণিজ্যের অধিকার পেয়েছিল ? 

ক। রেগুলেটিং অ্যাক্ট, 1773 

খ। চার্টার অ্যাক্ট, 1793

গ। চার্টার অ্যাক্ট, 1813 

ঘ। কোননাটিই নয় 

উ ত্ত র:- গ

১৩. ভারতে ব্রিটিশ শাসনের ইস্পাত কাঠামাে’ বলা হয়—  

ক।সেনাবাহিনীকে 

খ। পুলিশ বাহিনীকে

গ। আমলাতন্ত্রকে 

ঘ। কোনােটিই নয়

উ ত্ত র:- গ

১৪. কলকাতায় সুপারিন্টেন্ডেন্ট অব পুলিশ পদ সৃষ্টিকর্তা

ক। লর্ড হেস্টিংস 

খ। ওয়ারেন হেস্টিংস 

গ। লর্ড কর্নওয়ালিশ 

ঘ। কোনােটিই নয়

উ ত্ত র:- খ

১৫. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়—

ক। 1780 খ্রি. 

খ। 1790 খ্রি. 

গ। 1800 খ্রি. 

ঘ। 1792 খ্রি. 

উ ত্ত র:- গ

১৬. রেগুলেটিং অ্যাক্ট পাস করা হত

ক। 10 বছর অন্তর 

খ। 20 বছর অন্তর

গ। 30 বছর অন্তর 

ঘ। কোনােটিই নয়

উ ত্ত র:- খ

১৭. 1748 খ্রি. ভারতীয়দের নিয়ে স্থায়ী বাহিনী গঠন করেন 

ক। ক্যাপটেন এস লরেন্স  

খ। আলেকজান্ডার রীড

গ। ওয়াটসন 

ঘ। কেউই নয়

উ ত্ত র:- ক

১৮. ভারতে সিভিল সার্ভিসে নিযুক্ত হওয়ার জন্য এই পরীক্ষায় পাস বাধ্যতামূলক করা হয়___

ক। চার্টার অ্যাক্ট, 1813 

খ। রেগুলেটিং অ্যাক্ট, 1793

গ। চার্টার অ্যাক্ট, 1833 

ঘ। কোনােটিই নয়

উ ত্ত র:- গ

১৯. পুলিশ কমিশনার নিয়ােগ করা হয়—

ক। 1850 খ্রি. 

খ। 1855 খ্রি. 

গ। 1860 খ্রি.

ঘ। 1862 খ্রি. 

উ ত্ত র:- গ

২০. প্রদেশে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিল। 

ক। মর্লে মিন্টো সংস্কার আইন (1909 খ্রি.) 

খ। মন্টেগু-চেমসফোর্ড আইন (1919 খ্রি.)

গ। ভারতশাসন আইন (1935 খ্রি.) ঘ। কোনােটিই নয়

উ ত্ত র:- খ

২১. ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের সকল জনগণকেই সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসার অনুমতি দেওয়া হয়

ক। চার্টার অ্যাক্ট, 1813 

খ। চার্টার অ্যাক্ট, 1833

গ। মলে-মিন্টো আইন, 1909 

ঘ। চার্টার অ্যাক্ট, 1853 

উ ত্ত র:- ঘ

২২. প্রদত্ত জোড়াগুলির মধ্যে কোনটি সঠিক নয়?

ক। একসালা বন্দোবস্ত: ওয়ারেন হেস্টিংস 

খ। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত: লর্ড কর্নওয়ালিশ 

গ। রায়তওয়ারি ব্যবস্থা: লর্ড হেস্টিংস

ঘ। মহলওয়ারি ব্যবস্থা: লর্ড ডাফরিন

উ ত্ত র:- ঘ

২৩. প্রতিটি জেলায় ফৌজদারের নেতৃত্বে একটি করে ফৌজদারি থানা গড়ে তুলেছিলেন— 

ক। ওয়ারেন হেস্টিংস 

খ। লর্ড কর্নওয়ালিশ

গ। লর্ড বেন্টিঙ্ক 

ঘ। লর্ড নর্থব্রুক

উ ত্ত র:- ক

২৪.ভারতীয় পেনাল কোড প্রবর্তন করেছিলেন .

ক। লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক 

খ। লর্ড রিপন 

গ। লর্ড আমহার্স্ট 

ঘ। লর্ড কর্নওয়ালিশ

উ ত্ত র:- ক







Twt
D1 Study Subscribe our Youtube Channel
Subscrib